Chief Justice of India: ‘সুপ্রিম কোর্টের দরজা সবার জন্য খোলা’, তাহলে রাহুল-খাড়্গের সঙ্গে কেন দেখা করতে চাইলেন না প্রধান বিচারপতি? নিজেই দিলেন ব্যাখ্যা
Supreme Court-INDIA Alliance: লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ও রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে আজ, সোমবার ভোট চুরির অভিযোগে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে আর্জি জানিয়েছিলেন। কিন্তু গতকাল রাতে প্রধান বিচারপতি সেই আবেদন খারিজ করে দেন।

নয়া দিল্লি: “সুপ্রিম কোর্টের দরজা সবার জন্য খোলা”। সোমবার এই কথা বললেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত (CJI Surya Kant)। তাহলে কেন তিনি কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)-র সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন না?
সোমবার প্রধান বিচারপতি বলেন যে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা না করার সিদ্ধান্তের কারণ তিনি বলবেন না। তাদের মধ্যে যে চিঠি চালাচালি হয়েছে, সেটিরও গোপনীয়তা রক্ষা করেছেন। কেন তিনি রাহুলদের সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন না, সেই প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান যে একদিন আগে তিনি চিঠিটি পেয়েছেন। ওইদিন রাতেই তাঁর জবাব দিয়েছেন। বলেন, “আমি চিঠিতে বেশ কিছু কারণ দেখিয়েছি যে কারণে আমি ওঁর সঙ্গে দেখা করতে পারছি না।”
কী কারণ, তা ব্যাখ্য়া করতে বলা হলে তিনি বলেন, “চিঠিতে কী লেখা আছে, সেই বিষয়ে ওঁকে জিজ্ঞাসা করুন। আমি গোপনীয়তা বজায় রেখেছি”। তাহলে কী জনপ্রতিনিধিরা নিজেদের কথা জানাতে পারবেন না? প্রধান বিচারপতি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। যে কেউ পিটিশন দিয়ে আমাদের কাছে আসতে পারেন, তা সে একজন সাধারণ নাগরিক হন বা কোনও নির্বাচি প্রতিনিধি।”
তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকের আমাদের (আদালতের) কাছে আসার অধিকার রয়েছে। আইন অনুযায়ী আমরা তাদের সমস্যার কথা শুনব এবং তাদের অধিকার দেওয়া হবে।
দিল্লির পরিস্থিতি ও আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সেই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। বলেন যে এটি আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়।
প্রসঙ্গত, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ও রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে আজ, সোমবার ভোট চুরির অভিযোগে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে আর্জি জানিয়েছিলেন। কিন্তু গতকাল রাতে প্রধান বিচারপতি সেই আবেদন খারিজ করে দেন। তিনি জানিয়েছেন যে বিরোধী নেতারা যে বিষয়গুলি উত্থাপন করতে চাইছেন, সেগুলি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন রয়েছে। সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী, সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করার সুপ্রিম কোর্টের কোনও প্রশাসনিক ক্ষমতা নেই।
