PM Modi: হাওড়া নয়, টাটার-স্মৃতি উস্কে সিঙ্গুরে সভা করবেন মোদী?
BJP Demands Modi Public Meeting in Singur: দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন। গত কয়েক মাস ধরেই রাজ্যে কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নকে ইস্য়ু করেছে বিজেপি। শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীন রাজ্য়ের চাকরি ও নতুন কর্মসংস্থান তৈরির খতিয়ান তুলে ধরে তৃণমূল সাংসদদের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন বিজেপি সাংসদরা।

হুগলি: নতুন বছরের প্রথম মাসেই বাংলায় জোড়া জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামী ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি, পর পর দু’দিন জনসভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। প্রথমটি অর্থাৎ ১৭ জানুয়ারি সভা হবে মালদহ জেলায়। দ্বিতীয় সভা, অর্থাৎ ১৮ জানুয়ারি হাওড়ায় সভা হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সূত্রের খবর, সেই দ্বিতীয় সভা নিয়েই বড় পরিকল্পনা বঙ্গ বিজেপির। হাওড়ার পরিবর্তে হুগলির সিঙ্গুরেই বেশি জোর দিচ্ছে গেরুয়া শিবির।
বিজেপি সূত্রে খবর, শুরুতে ১৮ জানুয়ারি হাওড়ায় প্রধানমন্ত্রীর জনসভা করার পরিকল্পনা হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্ব চায়, হাওড়ার বদলে হুগলির সিঙ্গুরেই জনসভা করা হোক। ইতিমধ্য়েই সেই মর্মে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেই খবর। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি।
দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন। গত কয়েক মাস ধরেই রাজ্যে কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নকে ইস্য়ু করেছে বিজেপি। শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীন রাজ্য়ের চাকরি ও নতুন কর্মসংস্থান তৈরির খতিয়ান তুলে ধরে তৃণমূল সাংসদদের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন বিজেপি সাংসদরা। এমনকি, সম্প্রতি রাজ্যের শিল্পায়নের খতিয়ান তুলে শাসকশিবিরের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে পাশে বসিয়ে তিনি বলেন, ‘বিজিবিএস আয়োজনেই এখনও পর্যন্ত রাজ্যে খরচ হয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। উপহার, ভাষণ, খাওয়া-দাওয়াতেই এই টাকা খরচ। এই তুলনায় এই রাজ্যে বিনিয়োগ জিরো। বিজিবিএস আজ একটা ফ্লপ শো।’ ওয়াকিবহাল মনে করছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের শিল্প পরিস্থিতিকে ইস্যু হিসাবে তুলে ধরতে চায় গেরুয়া শিবির। যার সবচেয়ে ভাল সূচনা হতে পারে, যদি প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গুরে সভা করেন। কারণ, সিঙ্গুর আন্দোলন এই রাজ্য়ের রাজনৈতিক সমীকরণে তৈরি করে উলটপুরাণ। এবার সেই একই সমীকরণকে হাতিয়ার করতে চায় গেরুয়া শিবির। টাটাকে ফেরানোর ‘স্বপ্ন বুনতে’ চায় তারা।
