Newtown TMC: তৃণমূল প্রার্থী ঘনিষ্ঠ নেতাকে থানায় ছাড়াতে হাজির BJP প্রার্থী, কেন?
TMC Candidate: বিধানসভা ভোটের আগে ফের একবার দ্বন্দ্ব তৈরি হয় তাপস ও সব্যসাচীর মধ্যে। সোমবার সকালে ইমারতী সামগ্রী ফেলা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নিউটাউন থানার পুলিশ। উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজনকে আটক করে নিউটাউন থানায় নিয়ে আসে।

নিউটাউন: কথায় আছে ‘শত্রুর শত্রু আমার মিত্র’। রাজারহাট নিউটাউনে ভোটের আগে অন্তত তেমনই চিত্র ধরা পড়ল। তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কর্মী শাহ আলমকে নিউটাউন থানায় আটক করায় মুক্তির দাবি নিয়ে থানার দ্বারস্থ বিজেপি প্রার্থী পীযূষ কানোডিয়া। থানায় এসে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন তিনি। পুলিশের সঙ্গে জড়ালেন বাগবিতণ্ডায়।
নিউটাউন বিধানসভা এলাকায় তাপস চট্টোপাধ্যায় ও সব্যসাচীর দত্তের সম্পর্কের টানাপোড়েন বরাবরই চলে। ২০১১ সালে সিপিএম প্রার্থী তাপসকে হারিয়ে বিধায়ক হয়েছিলেন সব্যসাচী। পরবর্তীতে তাপস সিপিএম ছাড়েন। যোগ দেন তৃণমূলে। এরপর তিনি বিধাননগরের ডেপুটি মেয়রও হন। পরে সব্যসাচী বিজেপি ঘুরে ফের আসেন তৃণমূলে। তবুও দ্বন্দ্বের অবসান ঘটেনি।
বিধানসভা ভোটের আগে ফের একবার দ্বন্দ্ব তৈরি হয় তাপস ও সব্যসাচীর মধ্যে। সোমবার সকালে ইমারতী সামগ্রী ফেলা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নিউটাউন থানার পুলিশ। উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজনকে আটক করে নিউটাউন থানায় নিয়ে আসে। অভিযোগ, তাপসের ঘনিষ্ঠদের ছেড়ে দিলেও ছাড়া হয়নি সব্যসাচীর ঘনিষ্ঠদের। এরপর খবর পেয়ে থানায় উপস্থিত হন রাজারহাট নিউটাউন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী পীযূষ কানরিয়া।
অবিলম্বে সব্যসাচী ঘনিষ্ঠ স্থানীয় তৃণমূল নেতা শাহ আলমকে মুক্তি দিতে হবে নতুবা থানার সামনে বসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করবেন এমনটাই হুঁশিয়ারি দেন। পরবর্তীতে তৃণমূল নেতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কোথাও ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বার্তা দিতে চাইলেন?নাকি রাজনৈতিক ভাবে শত্রুর শত্রু, নিজের বন্ধুকে ছাড়াতেই থানার দারস্থ।
বস্তুত, এবার রাজারহাট-নিউটাউন থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন তাপস চট্টোপাধ্যায়। অপরদিকে, বিজেপির প্রার্থী করা হয়েছে পীযূষ কানরিয়া। আর বারাসতে এবার লড়বেন সব্যসাচী দত্ত।
সপ্তর্ষী দেব বলেন, “আমরা তো আগেই বলেছি বিজেমূল। সেটা আজ হাতেনাতে প্রমাণ হল। যাঁরা তৃণমূলকে হারাতে চান তাঁরা বিজেপিকে ভোট দেবেন না আর যাঁরা বিজেপিকে হারাতে চান তাঁরা তৃণমূলকে ভোট দেবেন না।” শাহ আলম বলেন, “আমি সব্যসাচীর ঘনিষ্ঠ। আমি তাপস চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নই। আমি তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে।” পীযূষবাবু বলেন, “আমরা চাই ভাল করে ভোট হোক। ভোট একদিনের জন্য হয়। কিন্তু যদি বেকার-বেকার কাউকে হেনস্থা করা হয় তাহলে সেটা হতে পারে না।”
