Rajarhat Newtown election result: আজ দুপুর পর্যন্ত চলল গণনা, ‘জিততে জিততে’ হেরে গেলেন তৃণমূল প্রার্থী
West Bengal assembly election result: এদিন ফল ঘোষণার পর বিজেপি প্রার্থী পীযূষ কানোদিয়া বলেন, "সবার আগে রাজারহাট-নিউটাউনের সব মানুষের সঙ্গে কথা বলব। তাঁদের সমস্যার কথা শুনব। কীভাবে সমস্যার সমাধান করা যায়, সেটা দেখব।" অন্যদিকে, তৃণমূল প্রার্থী তাপস চট্টোপাধ্যায় বলেন, "হিন্দু এলাকায় কিছু ভোট সুইং হয়েছে এটা ঠিক। তা সত্ত্বেও বলছি, জিতব। জোর করে হারানো হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও এমন করে হারানো হয়েছে। কী করা যায়, সেটা দেখব।"

নিউটাউন: সোমবার গেরুয়া ঝড় দেখেছে রাজ্য। এরই মধ্যে আটকে ছিল রাজারহাট-নিউটাউনের ফলঘোষণা। গতকাল এই কেন্দ্রে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। পুনর্গণনাও হয়। তারপর ফের আটকে যায় ভোটগণনা। আর মঙ্গলবার ফের গণনা হয়। দুপুরে ভোটগণনা শেষে জয়ের হাসি বিজেপি প্রার্থীর মুখে। এদিন হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে তৃণমূলের তাপস চট্টোপাধ্যায়কে ৩১৬ ভোটে হারালেন বিজেপি প্রার্থী পীযূষ কানোদিয়া।
এদিন ভোট গণনার পর দেখা যায়, পীযূষ কানোদিয়া পেয়েছেন ১ লক্ষ ৬ হাজার ৫৬৪ ভোট। আর তৃণমূল প্রার্থী তাপস চট্টোপাধ্যায় পেয়েছেন ১ লক্ষ ৬ হাজার ২৪৮ ভোট। ৩১৬ ভোটে জিতলেন বিজেপি প্রার্থী। এই কেন্দ্রে সিপিএমের সপ্তর্ষি দেব পেয়েছেন ৩২ হাজার ২৪৬ ভোট।
জয়ের পর কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?
এদিন ফল ঘোষণার পর বিজেপি প্রার্থী পীযূষ কানোদিয়া বলেন, “সবার আগে রাজারহাট-নিউটাউনের সব মানুষের সঙ্গে কথা বলব। তাঁদের সমস্যার কথা শুনব। কীভাবে সমস্যার সমাধান করা যায়, সেটা দেখব।” তিনি আরও বলেন, “এই লড়াই আমার একার নয়। এই লড়াই জনগণের লড়াই। পশ্চিমবঙ্গে অনেক কাজ বাকি। মানুষের ভালোবাসা পেতে হবে।” তৃণমূল প্রার্থীকে নিশানা করে বিজেপি প্রার্থী বলেন, “উনি অনেক চেষ্টা করেছিলেন। আমাকে ঠেকাতে পারেননি।” বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে হামলার অভিযোগ নিয়ে বিজেপির জয়ী এই প্রার্থী বলেন, “আমি এখনও এই বিষয়ে কোনও খবর পাইনি। আর কোনও মায়ের কোল যাতে খালি না হয়, তা দেখতে হবে। তবে আমাদের ৩০০ ভাইয়ের প্রাণ গিয়েছে।”
কী অভিযোগ করলেন তৃণমূল প্রার্থী?
তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে তৃণমূল প্রার্থী তাপস চট্টোপাধ্যায় বলেন, “চার রাউন্ডের পরই ওদের হার নিশ্চিত ছিল। চার রাউন্ডের পর থেকে আমাদের এজেন্টদের মারতে শুরু করে। বের করে দেয়। ধরুন কোনও বুথে আমরা ৫০০ ভোট পেয়েছি, ওরা ২০০ ভোট পেয়েছে। আমাদের ৪০০ ভোট লিখতে বলা হয়েছে। রাত ২টা পর্যন্ত লড়ে গিয়েছি। আমাদের সকলকে বের করে দেয়। আমাকে শংসাপত্র ইচ্ছাকৃতভাবে দেয়নি। আজ সকালে আমাদের না জানিয়েই ফল ঘোষণা করেছে। আইনি ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করব। নিউটাউনের মানুষ জানে, জোর করে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। যদি এমন কোনও আইন থাকে, কোর্ট যদি নিজের তত্ত্বাবধানে ইভিএম খোলে, তাহলে আমার জয়ের ব্যবধান কোনও মতে ১৫ হাজারের নিচে হবে না।”
বিজেপির ভোট বেড়েছে স্বীকার করে তৃণমূল প্রার্থী বলেন, “হিন্দু এলাকায় কিছু ভোট সুইং হয়েছে এটা ঠিক। তা সত্ত্বেও বলছি, জিতব। জোর করে হারানো হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও এমন করে হারানো হয়েছে। কী করা যায়, সেটা দেখব।”
