AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

BJP: মুখে বাংলাদেশিদের কথা, বাংলায় এসে সাংবাদিক বৈঠকে এমন কী বলে ফেললেন বিজেপির দিল্লির নেতা, যাতে সঙ্গে সঙ্গেই ডিলিট হল লাইভ!

BJP Leader Controversial Comment: রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কথায়,  দলের একেবারে বিপরীত অবস্থানে গিয়ে এসসি মোর্চার সভাপতি লাল সিং আর্য যে মন্তব্য করেছেন, তাতে যথেষ্টই বেকায়দায় পড়েছে পদ্মশিবির। বেকায়দা এতটাই বেশি, সামাজিক মাধ্যমে বিজেপির যে পেজ থেকে এই সাংবাদিক বৈঠক লাইভ করা হচ্ছিল, তা ডিলিট করা হয়েছে। 

BJP: মুখে বাংলাদেশিদের কথা,  বাংলায় এসে সাংবাদিক বৈঠকে এমন কী বলে ফেললেন বিজেপির দিল্লির নেতা, যাতে সঙ্গে সঙ্গেই ডিলিট হল লাইভ!
বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থীদের নিয়ে কী বললেন বিজেপি নেতা? Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 04, 2026 | 7:46 PM
Share

কলকাতা: বাংলাদেশিদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য সর্ব ভারতীয় বিজেপি নেতা লাল সিং আর্যের। তাঁর বক্তব্য, বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে আসা, কেউই যেন ভোটাধিকার না পান। জাত-ধর্ম দেখা উচিত নয়। তাঁর কথায়, ‘বাংলাদেশি মানেই বাংলাদেশি।’ এই বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য ইতিমধ্যেই লাল সিং আর্যকে সতর্ক করা হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব সকলেই তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এটা দলের অবস্থান নয়। কেন্দ্রীয়-রাজ্য নেতৃত্বের অবস্থান পরিস্কার, বাংলাদেশ থেকে যাঁরা শরণার্থী হিসাবে এদেশে এসেছেন, তাঁরা সকলেই নাগরিকত্ব পাবেন। অমুসলিমদের কথাই বারংবার বলেছেন।

বঙ্গ সফরে এসে এটাই স্পষ্ট করেছেন অমিত শাহ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কথায়,  দলের একেবারে বিপরীত অবস্থানে গিয়ে এসসি মোর্চার সভাপতি লাল সিং আর্য যে মন্তব্য করেছেন, তাতে যথেষ্টই বেকায়দায় পড়েছে পদ্মশিবির। বেকায়দা এতটাই বেশি, সামাজিক মাধ্যমে বিজেপির যে পেজ থেকে এই সাংবাদিক বৈঠক লাইভ করা হচ্ছিল, তা ডিলিট করা হয়েছে।

গরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর পাশ হয়। এই আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন ও পার্সি সম্প্রদায়ের লোকজন, যাঁরা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁরা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন।

Lal Singh Arya

লাল সিং আর্য

বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “আমি ওনার সঙ্গে কোনওভাবেই একমত নন। উনি না বুঝে বলে ফেলেছেন কিনা জানি না। তবে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসাবে না বুঝে কথা বলা উচিত নয়। যাঁরা বাংলাদেশ থেকে এসেছেন, তাঁদের সবাইকে অবৈধ বলি না। তাঁদেরকে আমরা শরণার্থী বলি, যদি তাঁরা হিন্দু হন। আর যদি তাঁরা হিন্দু না হয়ে খ্রীষ্ট্রান, শিখ, জৈন কিংবা অন্য ধর্মের হন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এটা দেশের সরকারের ঘোষিত নীতি।” তাঁর বক্তব্য, “জাত ধর্ম দেখা হবে। কারণ এর ভিত্তিতেই দেশটা ভাগ হয়েছিল। যখন দেশ ভাগ হয়েছিল, তখনই সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ওপারের সংখ্যালঘুরা যদি এদেশে ফিরে আসেন, তাহলে এদেশের নাগরিকত্ব নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পাবেন।”

সজল ঘোষকে খোঁচা দিয়েই পাল্টা তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “সজল ঘোষের কি হিম্মত হবে, দিল্লির সর্বভারতীয় নেতাকে গিয়ে প্রশ্ন করতে,কেন তিনি একথা বললেন? আসলে বিজেপি এটাই। ওরা বিজেপিকে এই চোখেই দেখে। টার্গেট বাঙালি। সবথেকে বেশি বিপদে পড়বে মতুয়ারা।”