AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ধর্মেন্দ্রর শেষ সময় কেমন ছিল? অবশেষে মুখ খুললেন হেমা মালিনী

কিংবদন্তি বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্রের আকস্মিক প্রয়াণ সবার জন্যই ছিল এক বিরাট ধাক্কা। বিশেষ করে, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার মাত্র কয়েক দিন পরই যখন তিনি প্রশস্ত হাসি নিয়ে ভক্তদের শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন, তখন এই খবর আরও বেশি অবাক করেছিল সবাইকে। এক সাক্ষাৎকারে তাঁর স্ত্রী হেমা মালিনী নিজের এই অপূরণীয় ক্ষতির কথা খুলে বলেছেন।

ধর্মেন্দ্রর শেষ সময় কেমন ছিল? অবশেষে মুখ খুললেন হেমা মালিনী
| Edited By: | Updated on: Jan 05, 2026 | 10:39 AM
Share

কিংবদন্তি বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্রের আকস্মিক প্রয়াণ সবার জন্যই ছিল এক বিরাট ধাক্কা। বিশেষ করে, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার মাত্র কয়েক দিন পরই যখন তিনি প্রশস্ত হাসি নিয়ে ভক্তদের শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন, তখন এই খবর আরও বেশি অবাক করেছিল সবাইকে। এক সাক্ষাৎকারে তাঁর স্ত্রী হেমা মালিনী নিজের এই অপূরণীয় ক্ষতির কথা খুলে বলেছেন।

২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বর ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের জন্য এক কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে, যেদিন ইন্ডাস্ট্রি ধর্মেন্দ্রের মতো এক কিংবদন্তিকে হারিয়েছে। দেওল পরিবার এবং তাঁর স্ত্রী, অভিনেত্রী হেমা মালিনী, আজীবন এই শূন্যতা অনুভব করবেন। তা সত্ত্বেও, মালিনী ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন এবং কাজ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন—কারণ তাঁর প্রিয় স্বামী সেটাই চাইতেন।

যে মাসে ধর্মেন্দ্রের মৃত্যু হয়, সেই সময়টা ছিল ভয়াবহ, কারণ তিনি তখন শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন, বক্তব্য হেমা মালিনীর। তিনি এবং প্রয়াত কিংবদন্তির সন্তানরা—সানি দেওল, ববি দেওল, ইশা দেওল ও অহনা দেওল—সবসময় তাঁর পাশে ছিলেন। শেষবার যখন ধর্মেন্দ্র হাসপাতালে ভর্তি হন, সবাই ভেবেছিলেন তিনি আবার সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবেন, আগের মতোই। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, তা আর হয়নি।

মালিনী আরও জানান, ২০২৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ধর্মেন্দ্রের ৯০তম জন্মদিন উপলক্ষে তাঁরা এক বড়সড় উদযাপনের পরিকল্পনা করছিলেন। “সব প্রস্তুতি চলছিল, আর হঠাৎ করেই তিনি আর আমাদের মাঝে নেই। নিজের চোখের সামনে তাঁকে নিভে যেতে দেখা অত্যন্ত কষ্টের ছিল। এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে কারও যাওয়া উচিত নয়,” শোকাহত অভিনেত্রী বলেন।

পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত এই অভিনেতার স্বর্গবাসের এক মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও, তাঁর পছন্দের ছোট ছোট বিষয় এখনও মালিনীর চোখে জল এনে দেয়। যখন বাড়িতে ধর্মজি-র প্রিয় খাবার—যেমন থেপলা-চাটনি বা ইডলি-সাম্বর ও কফি—তৈরি হয়, তখন তাঁর স্ত্রী স্মরণ করেন কী ভালোবাসা নিয়ে তিনি সেগুলো উপভোগ করতেন।

“আমাদের হৃদয় ও স্মৃতিতে তাঁকে বাঁচিয়ে রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ,” বলেন অভিনেত্রী হেমা মালিনী, যিনি শীঘ্রই আবার কাজে ফেরার পরিকল্পনা করছেন, কারণ সেটাই ধর্মেন্দ্রকে খুশি করত। সাক্ষাৎকারের শেষে তিনি আরও জানান, সানি দেওল ধর্মেন্দ্রের ফার্মহাউসকে তাঁর অগণিত ভক্তদের জন্য একটি মিউজিয়ামে রূপান্তর করার পরিকল্পনা করছেন।