AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

WB DGP: রাজীব কুমারের পর কে? এবার সুপ্রিম কোর্টে যেতে হবে রাজ্যকে?

২০২৩-এর ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হয় তৎকালীন ডিজি মনোজ মালব্যর। তারপরই ডিজি পদে নিযুক্ত হন রাজীব কুমার। এবার তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পালা। তার আগেই নতুন তালিকা পাঠানো হয়েছিল। এত দেরি কেন! এই প্রশ্ন তুলেই সেই তালিকা ফেরত পাঠানো হয়েছে।

WB DGP: রাজীব কুমারের পর কে? এবার সুপ্রিম কোর্টে যেতে হবে রাজ্যকে?
Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 06, 2026 | 1:02 PM
Share

নয়া দিল্লি: ডিজিপি নিয়োগ নিয়ে নয়া জটিলতা। বর্তমান ডিজিপি রাজীব কুমারের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। নতুন ডিজি নিযুক্ত করতে হবে রাজ্যকে। কাকে নিযুক্ত করা হবে, সেই তালিকা ইউপিএসসি-র কাছে পাঠানো হয়েছিল রাজ্যের তরফে। কিন্তু সেই তালিকা ফেরত পাঠানো হয়েছে। এই ইস্যুতে রাজ্যকে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে বলল ইউপিএসসি।

কবে পাঠানো হল তালিকা?

রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক ডিজিপি বা হেড অব পুলিশ ফোর্স নিয়োগের জন্য এমপ্যানেলমেন্ট কমিটি মিটিং (ECM) আয়োজন নিয়ে রাজ্য সরকার যে প্রস্তাব দিয়েছিল, তা ফেরত পাঠিয়েছে ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন (UPSC)। পাশাপাশি, এই বিষয়ে উপযুক্ত নির্দেশের জন্য রাজ্য সরকারকে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

২০২৩-এর ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হয় তৎকালীন ডিজি মনোজ মালব্যর। তারপরই ডিজি পদে নিযুক্ত হন রাজীব কুমার। এবার তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পালা। আগামী ৩১ জানুয়ারি তাঁর মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তার আগেই নতুন নামের তালিকা পাঠানো হয়েছিল। এত দেরি কেন! এই প্রশ্ন তুলেই সেই তালিকা ফেরত পাঠানো হয়েছে।

কেন রাজ্যের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল UPSC? কী নিয়ম?

ইউপিএসসি সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার গত বছরের ১৬ ও ২৩ জুলাই কমিশনে চিঠি পাঠিয়ে ডিজিপি পদে নিয়োগের জন্য প্যানেল প্রস্তুতির প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে জানানো হয়, রাজ্যে ডিজিপি পদের শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর। তারপর থেকে অ্যাক্টিং তথা ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবে কাজ করছিলেন রাজীব কুমার।

সূত্রের খবর, ইউপিএসসি রাজ্যকে জানিয়েছে, ‘প্রকাশ সিং’ মামলায় ২০০৬ সালের রায় সংশোধন করে ২০১৮ সালের ৩ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে ডিজিপি পদে শূন্যতা তৈরি হওয়ার কমপক্ষে তিন মাস আগে রাজ্য সরকারকে ইউপিএসসিতে প্রস্তাব পাঠাতে হবে।

রাজ্যের প্রাক্তন ডিজিপি মনোজ মালব্য ২০২৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর দুই বছরের মেয়াদ শেষে অবসর নেন। ফলে হিসেব মতো সর্বোচ্চ ২০২৩-এর মধ্যে প্রস্তাব পাঠানো উচিত ছিল। কিন্তু বাস্তবে তা পাঠানো হয়েছে ২০২৫-এর জুলাই মাসে অর্থাৎ দেড় বছরেরও বেশি দেরিতে।

কী পরামর্শ দিলেন দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল?

গত বছরের ৩০ অক্টোবর ‘এমপ্যানেলমেন্ট কমিটি’র বৈঠক হলেও, প্রস্তাব জমা দিতে দেরি হওয়ায় কমিটির সদস্যদের মধ্যে মতভেদ দেখা দেয় বলে সূত্রের খবর। এরপর কমিশন বিষয়টি নিয়ে ভারতের অ্যাটর্নি জেনারেলের(AGI) মতামত চায়। অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর মতামতে জানান, রাজ্য সরকারের এই বিলম্ব অত্যন্ত গুরুতর এবং এত দীর্ঘ বিলম্ব ক্ষমা করার কোনও বিধান ইউপিএসসি-র নেই। তিনি আরও বলেন, “এই ধরনের বিলম্ব হলে যোগ্য ও বৈধ প্রার্থীরা এমপ্যানেলমেন্টের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের উচিত ছিল আগেই সুপ্রিম কোর্টের কাছে নির্দেশনা চাওয়া।”

অ্যাটর্নি জেনারেলের এই মতামতের ভিত্তিতে ইউপিএসসি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রস্তাব ফেরত পাঠিয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট থেকে উপযুক্ত নির্দেশ আনার পরামর্শ দিয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে ইউপিএসসির ডিরেক্টর (AIS) নন্দ কিশোর কুমার গত ৩১ ডিসেম্বর একটি সরকারি চিঠি জারি করেন। ওই চিঠির অনুলিপি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককেও পাঠানো হয়েছে।