AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Tamanna Khatun Nadia: ‘উনি বুঝতে পারছেন না, মেয়েকে হারিয়ে কতটা কষ্ট হচ্ছে’, হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে মমতার সঙ্গে দেখা করতে চাইলেন তামান্নার মা

Nadia: জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে নিজের কথা বলতে চান তিনি। একই সঙ্গে সরকারি আইনজীবী পরিবর্তনের কথা বলেন তামান্নার মা। সাবিনা বলেন, "আমি চাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেন আমায় একটু সময় দেন। পার্সোনালি আমার সঙ্গে কথা বলুন। মেয়েকে হারিয়ে আমার যে কতটা কষ্ট হচ্ছে হয়ত উনি বুঝতে পারছেন না।

Tamanna Khatun Nadia: 'উনি বুঝতে পারছেন না, মেয়েকে হারিয়ে কতটা কষ্ট হচ্ছে', হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে মমতার সঙ্গে দেখা করতে চাইলেন তামান্নার মা
কী বলছেন তামান্নার মা?Image Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 07, 2026 | 1:30 PM
Share

নদিয়া: বোমাবাজিতে প্রাণ গিয়েছিল ছোট্ট মেয়ে তামান্না খাতুনের। মেয়ে চলে যাওয়ার ধাক্কা সামলাতে পারেনি মা সাবিনা ইয়াসমিন। অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে ভর্তি হন হাসপাতালে। আজ অর্থাৎ বুধবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন তিনি। আর তারপরই মেয়ের বিচারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তামান্নার মা সাবিনা ইয়াসমিন।

জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে নিজের কথা বলতে চান তিনি। একই সঙ্গে সরকারি আইনজীবী পরিবর্তনের কথা বলেন তামান্নার মা। সাবিনা বলেন, “আমি চাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেন আমায় একটু সময় দেন। পার্সোনালি আমার সঙ্গে কথা বলুন। মেয়েকে হারিয়ে আমার যে কতটা কষ্ট হচ্ছে হয়ত উনি বুঝতে পারছেন না। আমায় বিচার দিতে চাইছেন না। আমি এসপি-র কাছে বারবার আবেদন জানিয়েছি পিপি পরিবর্তন করতে হবে। এখনও পরিবর্তন হয়নি। ১৪ জনের চার্জশিট এখনও জমা পড়েননি। তিনজন গ্রেফতার হলেও ১১জনের চার্জশিট রেখে দিল।”

মাস ছয়েক আগে তৃণমূলের বিজয়োৎসব থেকে ছোড়া বোমাতে মৃত্যু হয় তাঁর নাবালিকা কন্যার। অভিযোগ তেমনটাই। যে সময় ঘটনা ঘটেছিল, সেই সময় মায়ের হাত ধরেই বাড়ি ফিরছিল ছোট্ট তামান্না। তবে অঘোরেই প্রাণ যায় তার। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত সব অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়নি। আদালতে চলছে মামলা।

তামান্নার পরিবারের বক্তব্য, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় তামান্নার খুনের ঘটনায় অভিযুক্তরা শাস্তি পাবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছে তারা। যাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই হয়তো জামিনে ছাড়া পেয়ে যাবেন। অভিযুক্তরা জামিনে মুক্তি পেলে আবার হয়তো তাঁদের উপর আক্রমণ হতে পারে বলে আশঙ্কা তাড়া করে বেড়াচ্ছে। এই সব আশঙ্কা করেই ঘুমের ওষুধ খেয়ে নেন তামান্নার মা। আজ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন তিনি।