AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Suvendu Adhikari on CPIM: ‘হাজার চেষ্টা করলেও গীতা-হনুমান চল্লিশা পাবেন না…শুধু মার্কস-লেনিনের বই’, শুভেন্দুর মুখে ‘৩৪ বছরে’র কথা

Suvendu Adhikari: গত বৃহস্পতিবার বিধানসভা থেকে বামেদের নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, এবার থেকে পুজোয় স্টল দিতে চাইলে শারদোৎসব না লিখে দুর্গা পূজা লিখতে হবে কমিউনিস্টদের। পাশাপাশি বামপন্থী অধ্যাপকদের 'দুর্বল' বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলির কথাও বলেছিলেন তিনি।

Suvendu Adhikari on CPIM: 'হাজার চেষ্টা করলেও গীতা-হনুমান চল্লিশা পাবেন না...শুধু মার্কস-লেনিনের বই', শুভেন্দুর মুখে '৩৪ বছরে'র কথা
Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Sep 12, 2026 | 1:20 PM
Share

কলকাতা: গণেশ পুজোর উদ্বোধনে গিয়ে ফের বামেদের নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvenu Adhikari)। এবার সনাতনী সংস্কৃতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় বামেরা। ৩৪ বছরের বাম শাসনে রাজ্যে কী অবস্থা ছিল, সে কথা বলতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আরতি, পুষ্পাঞ্জলি, প্রসাদ সব ভুলিয়ে দিয়েছিল ৩৪ বছরের লাল রাজত্ব।”

গত বৃহস্পতিবার বিধানসভা থেকে বামেদের নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, এবার থেকে পুজোয় স্টল দিতে চাইলে শারদোৎসব না লিখে দুর্গা পূজা লিখতে হবে কমিউনিস্টদের। পাশাপাশি বামপন্থী অধ্যাপকদের ‘দুর্বল’ বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলির কথাও বলেছিলেন তিনি। আর এবার শুভেন্দু অধিকারী বললেন, সনাতনী সংস্কৃতি কীভাবে চাপা পড়েছিল বাম আমলে।

শনিবার কেষ্টপুরে একটি গণেশ পুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ওরা দুর্গা পূজা লিখবে না। মহালয়া শুনবে না। মণ্ডপে প্রবেশ করে আরতি করবে না। হাতে ফুল নিয়ে বাসন্তী রাপচরিতে সর্বশত্রু বিনাশিনী বলবে না।”

মুখ্যমন্ত্রী বামেদের সম্পর্কে আরও বলেন, “প্যান্ডেল থেকে দূরে লাল শালু লাগিয়ে বসত। সেখানে যে বইগুলো থাকত, তার মধ্যে একটাও স্বামী বিবেকানন্দের লেখা পাবেন না। উদ্বোধন প্রকাশনী (বেলুড় মঠ), প্রণব প্রকাশনী (ভারত সেবাশ্রম) পাবেন না। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবেন না। ভারত ভাগ সম্পর্কে কোনও বই পাবেন না। কার্ল মার্ক্স লেনিনের বই পাবেন। হাজার চেষ্টা করলেও গীতা, হনুমান চল্লিশা পাবেন না।” এই প্রসঙ্গে তৃণমূলকেও নিশানা করেন তিনি। বলেন, “৩৪ বছরের পর ১৫ বছর ধরে বাংলাকে জামাতিকরণ করার সম্পূর্ণ চেষ্টা হয়েছে। বিসর্জনের দিনও বদলে দেওয়া হয়েছিল।”

Follow Us