Suvendu Adhikari: ‘কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বঞ্চিত করেছে তৃণমূল, প্রকৃত বিশ্বকর্মারা বাংলায় পরিবর্তন করে দিয়েছে’, মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর
Suvendi Adhikari Attacks TMC: শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "বংশ পরম্পরাকে রক্ষা করার জন্য গোটা ভারত সুবিধা নিয়েছে। তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ সুবিধা নেয়নি। যাঁরা সুবিধা নেয়নি, তাঁরাই বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বিশ্বকর্মা যাঁরা এখানে করতে দেয়নি, পশ্চিমবাংলার প্রকৃত বিশ্বকর্মারাই তাঁদের পরিবর্তন করে দিয়েছেন। বিশ্বাস রাখুন, MSME-র মাধ্যমে ট্রেনিং দেব। ট্রেনিং ভাতা আপনারা পাবেন।"

ফাইল ছবিImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: প্রথমবার রাজ্যে পালিত হল পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা দিবস। ধন্যধান্য এডিটোরিয়ামে বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকেই তৃণমূলকে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাধা দিত আগের সরকার। রাজ্যবাসীর সঙ্গে অন্যায় করেছে বিগত সরকার। আর কী কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?
- ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী ভারতের সাধারণ মানুষের জীবনকে সাজিয়েছেন। ভারতবর্ষকে সর্বোচ্চ জায়গায় নিয়ে গিয়েছেন, তাঁকে অভিবাদন ও অভিনন্দন দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার আজ অন্নপূর্ণা দিবস হিসেবে পালন করেছে সকাল থেকে। এক কোটি ৬০ লক্ষ মা-বোন-দিদির অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ট্রান্সফার করেছি। ধন্যবাদ জানাব বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জিতেনরাম মাঝিকে। সম্মান ও প্রণাম জানাই।
- আপনারা জানেন আমি বিরোধী দলনেতা ছিলাম। সেইসময় আমি বারবার বলেছি যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে আপনারা কেন বিশ্বকর্মা যোজনার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন না। যাঁরা হাতের কাজ করেন, এই রাজ্যে এমন লক্ষ লক্ষ লোক রয়েছে। আপনারা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন প্রত্যেক জেলাশাসককে আগের সরকার বলে দিয়েছিলেন, এই বিশ্বকর্মা যোজনার কোনও কাজ করবেন না। বিগত দিনে ভারত সরকারের কোনও স্কিম এই রাজ্যে চালু করতে দেয়নি আগের সরকার। আজ অন্নপূর্ণা দিবসে প্রধানমন্ত্রী ভিডিয়োবার্তায় বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস, আয়ুষ্মান ভারত, প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর ও বিশ্বকর্মা-সহ গোটা ভারতবর্ষে কল্যাণকারী এত কর্মসূচি, যার থেকে পশ্চিমবঙ্গ বঞ্চিত হয়েছে। মাত্র চার মাসের সরকার আমাদের। আমরা ইতিমধ্যেই আয়ুষ্মান ভারত ১৬ অগস্ট চালু করেছিলাম। পশ্চিমবঙ্গে ৫০ হাজার মানুষ আয়ুষ্মানের চিকিৎসার সুবিধা পেয়েছেন। প্রায় দুই হাজার পরিযায়ী শ্রমিক সুবিধা পেয়েছেন।
- যাঁরা বিশ্বকর্মা হাতের কাজ করেন, পুজোর আগে তাঁদের কাছে বলতে চাই উপভোক্তা যা দেখলেন, তা শুরু হল। আজ থেকে ঠিক এক বছর পর ২০২৭ সালে ১৭ সেপ্টেম্বর এই হলে করা যাবে না। খোলা মাঠে করতে হবে। পাঁচ লক্ষ হবে পশ্চিমবঙ্গে। এই সরকার দ্রুত গতিতে কাজ করছে।
- ঠিক যেভাবে মনরেগা-কে নষ্ট করেছে আগের সরকার, জব কার্ড হোল্ডারদের বঞ্চিত করেছে, …আমরা বিধানসভায় বিল এনে এই রাজ্যের গ্রাম পঞ্চায়েতদের প্রধানদের একটা বড় অংশ ৪ মে ভোটের রেজাল্ট আসার পর অফিস যান না। তার কারণ এই সরকারি অনুষ্ঠানে ব্যক্ত করব না। আমরা বিকশিত ভারতকে সফল করার জন্য পঞ্চায়েতের সচিবদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে দিয়েছি। এটা করার পর ৩ হাজারের বেশি বিশ্বকর্মা অ্যাপ্রুভাল হয়ে গিয়েছে। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গকে দেশের মধ্যে এক নম্বর বানানোর যে কথা মোদী দিয়েছেন সেটা পূরণের কাজ করবে সরকার। ৭ লাখ ৭০ হাজার আগের এনরোলমেন্ট এর মধ্যে আছেন। তার মধ্যে ২ লাখের বেশি শিল্পী করেছেন এই প্রকল্পের।
- ছুতোর, মূর্তিকার, ফিশিং বোট তৈরি করেন, মৎস্যজীবী যাঁরা নেট বানায়, লোহার কাজ, পুরনো তালা-চাবি তৈরি, হাতুড়ি, নাপিত, মালাকার, এর সঙ্গে সঙ্গে আরও যাঁরা আছেন, ঝিনুক, কাঠ, জুট দিয়ে পুতুল বানান, এমন লক্ষ লক্ষ মানুষের এমন দারুণ দক্ষতা রয়েছে। এদের কোনও সার্টিফিকেট লাগে না। বংশ পরম্পরাকে রক্ষা করার জন্য গোটা ভারত সুবিধা নিয়েছে। তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ সুবিধা নেয়নি। যাঁরা সুবিধা নেয়নি, তাঁরাই বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বিশ্বকর্মা যাঁরা এখানে করতে দেয়নি, পশ্চিমবাংলার প্রকৃত বিশ্বকর্মারাই তাঁদের পরিবর্তন করে দিয়েছেন। বিশ্বাস রাখুন, MSME-র মাধ্যমে ট্রেনিং দেব। ট্রেনিং ভাতা আপনারা পাবেন।
- আমাদের উদ্যম পোর্টালে দেশে ৯ কোটি ৩০ লক্ষ রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যা ৬৩ লক্ষ ২২ হাজারের বেশি আছে। এটি একটি সাবসিডি স্কিম। এটাতেও যুক্ত করব।
Follow Us
