CPIM Leader Kaltan Dasgupta: বাবা-ছেলের বয়সের ফারাক ৩৯ বছর, SIR-র শুনানিতে ডেকে পাঠানো হল সিপিএম নেতা কলতানকে
SIR in Bengal: কলতান বলছেন, “২০০২ সালে ভোটার লিস্টে বাবার নাম ছিল। ২০০৭ সালে বাবা মারা যান। আধার কার্ড চাওয়া হয়। ফলত তা দেখাতে পারিনি। কিন্তু আমাকে বিএলও বললেন বাবার সঙ্গে আমার বয়সের তফাৎ ৩৯ বছর। সেই কারণেই নথি চাওয়া হয়েছে।” অন্যদিকে বিএলও অংশুপ্রিয়া বারুই বলছেন, “আমার কাছে যা নির্দেশ এসেছে আমি তাই-ই করেছি।

কলকাতা: একের পর এক হেভিওয়েটের ডাক পড়ছে এসআইআর শুনানিতে। দেব, নওশাদ সিদ্দিকীর পর এবার শুনানিতে ডাক সিপিআইএম নেতা কলতান দাশগুপ্তকে। অথচ নোটিস এখনও হাতে পাননি। বিএলও-র তরফ থেকে ফোন করেই ডাকা হয়েছে। বাবা-ছেলের বয়সের ফারাক ৩৯ বছর। সেই কারণেই নথি চাওয়া হয়েছে কলতানের কাছ থেকে।
কলতান বলছেন, “২০০২ সালে ভোটার লিস্টে বাবার নাম ছিল। ২০০৭ সালে বাবা মারা যান। আধার কার্ড চাওয়া হয়। ফলত তা দেখাতে পারিনি। কিন্তু আমাকে বিএলও বললেন বাবার সঙ্গে আমার বয়সের তফাৎ ৩৯ বছর। সেই কারণেই নথি চাওয়া হয়েছে।” অন্যদিকে বিএলও অংশুপ্রিয়া বারুই বলছেন, “আমার কাছে যা নির্দেশ এসেছে আমি তাই-ই করেছি। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে ওনাকে ডাকা হয়। নোটিশ এখনও আমরা পাইনি। আমরা নোটিশ পেলেই ওনাকে দেব।”
প্রসঙ্গত, এর আগে তিলোত্তমা আন্দোলনের সময় ১৪ অগস্ট রাতে আরজি কর হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনায় তিনটি মামলায় রুজু হয়। দুটি মামলা হয় টালা থানায়। নাম জড়ায় কলতানের। অন্যদিকে সেই সময় তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন। সেখানেই একটি ফোনালাপে দুজনের কথোপকথন শোনা যায়। তাতেই ডাক্তারদের সাংবাদিক বৈঠকে হামলার ছক কষা হয় বলে অভিযোগ। সংশ্লিষ্ট অডিয়ো ক্লিপের কথোপকথনের নিয়ে যখন তুুমুল চর্চা চলছে সেই সময় পুলিশের সঞ্জীব দাস নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। সেই রেশ ধরেই গ্রেফতার হন কলতান। তা নিয়ে ব্যাপক চাপানউতোরও হয়। সিপিএম যদিও বলে সবটাই সাজানো ঘটনা। পরে জামিনও পেয়ে যান কলতান। রক্ষাকবচ আসে একেবারে হাইকোর্ট থেকে।
