Abhishek Banerjee Office: অগ্নিনির্বাপণ বিধি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে এবার অভিষেকের অফিসে দমকল
Abhishek Banerjee Camac Street Office: অগ্নিনির্বাপণ বিধি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে দমকল আধিকারিকরা এসেছেন। আর এদিকে, বৃহস্পতিবারের পর সোমবার, ফের অভিষেকের অফিসে পৌঁছেছেন পুলিশ আধিকারিকরাও। অভিষেকের অফিসের অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিকঠাক রয়েছে কিনা, সবটাই খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা।

কলকাতা: তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে দমকল-পুলিশ। অগ্নিনির্বাপণ বিধি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে দমকল আধিকারিকরা এসেছেন। আর এদিকে, বৃহস্পতিবারের পর সোমবার, ফের অভিষেকের অফিসে পৌঁছেছেন পুলিশ আধিকারিকরাও। অভিষেকের অফিসের অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিকঠাক রয়েছে কিনা, সবটাই খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা।
দমকল আধিকারিক বলেন, “অডিট চলছে। রুটিন মেনেই চেক আপ চলছে। একেবারে এক তলা থেকে দেখা হচ্ছে। পাঁচ-ছ’তলার অফিসে ঠিকঠাক অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা রয়েছে কিনা, সেটা দেখা হচ্ছে। এটা সব সময়েই মেনটেইন করা উচিত।” জানা যাচ্ছে, অভিষেকের অফিসের কিছু ব্যবস্থার ক্ষেত্রে তাঁরা সন্তুষ্ট নন। মূলত স্প্রিঙ্কলার্স তাঁরা ব্যবহার করতে পারেননি। ফায়ার সেফটি সিস্টেম কাজ করেনি। অ্যালার্ম বাজেনি। জানা যাচ্ছে, দমকল আধিকারিকরা বেশ কিছু ক্ষেত্রে গলদ খুঁজে পেয়েছেন। আধিকারিক জানিয়েছেন, সাত তলা এই বিল্ডিংয়ের প্রত্যেকটা তলায় সমান ব্যবস্থাপনা রয়েছে। কিন্তু পাঁচ ও ছ’তলা যে ব্যবস্থা রয়েছে, তা নিয়ে খুব সন্তুষ্ট নন আধিকারিকরা।
তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “এটা তো পরিষ্কার একটা প্যানিক রিয়েকশন। বিজেপি আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই মূল শক্তি ভাবেন। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যাঁরা রয়েছেন, সে পাড়ার নেতা থেকে শুরু করে বুথ স্তরের কর্মী পর্যন্ত- সবার পিছনে গোটা পুলিশ প্রশাসনকে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে।”
বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এতদিন এমন জায়গায় ছিলেন যেন সবার উচ্চে, সবার আগে। যেন স্বর্গের প্রতিনিধি। চার ইঞ্চি ওপর দিয়ে রথের চাকা চলছে।” উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারই অভিষেকের অফিসে বেআইনি বিল বোর্ড খোলার জন্য পুলিশ গিয়েছিল। তা নিয়ে রীতিমতো তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়।
