CM Mamata Banerjee: ঝড়-অতিবৃষ্টি-খরা কোনও কিছুই ঠেকাতে পারবে না এই ৪ প্রজাতির ধানকে, কৃষকদের খুশির খবর দিলেন মমতা
West Bengal: এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে মমতা লিখছেন, রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো খরাপ্রবণ জেলাগুলোর কথা মাথায় রেখে তিনটি নতুন ভ্যারাইটি আনা হয়েছে। সুভাষিণী,লছমন্তি ও মুসাফির। খরিফ মরসুমে এই প্রজাতিগুলো হেক্টর প্রতি গড়ে ৫২ থেকে ৫৫ কুইন্টাল ফলন দিতে সক্ষম।

কলকাতা: রাজ্যের কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়ে রাজ্যের কৃষি ক্ষেত্রের বড় সাফল্যের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিকূল আবহাওয়ার সঙ্গে লড়াই করে অধিক ফলন দিতে সক্ষম এমন ৪টি নতুন প্রজাতির ধান উদ্ভাবন করেছে রাজ্যের কৃষি দফতর। সেই খবর এক্সে পোস্ট করে জানালেন মমতা। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এই ক্ষেত্রে নিরলস গবেষণা চালিয়েছে কৃষি দফতর। পুরো কাজই চলেছে পুরুলিয়ার খরা প্রতিরোধ গবেষণা কেন্দ্র এবং চুঁচুড়ার ধান গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীদের সহায়তায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সাফল্যের কথা জানিয়ে ওই সব বিজ্ঞানী ও গবেষকদের অভিনন্দনও জানিয়েছেন।
এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে মমতা লিখছেন, রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো খরাপ্রবণ জেলাগুলোর কথা মাথায় রেখে তিনটি নতুন ভ্যারাইটি আনা হয়েছে। সুভাষিণী,লছমন্তি ও মুসাফির। খরিফ মরসুমে এই প্রজাতিগুলো হেক্টর প্রতি গড়ে ৫২ থেকে ৫৫ কুইন্টাল ফলন দিতে সক্ষম। এমনকী জলের অভাব থাকলেও এই ধান চাষ করলে কৃষকরা বড় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবেন।
শুধু পশ্চিমাঞ্চল নয়, দক্ষিণবঙ্গের প্লাবনপ্রবণ বা নিচু এলাকার কথা মাথায় রেখেও এসেছে ইরাবতী নামে নতুন প্রজাতি। এরও রয়েছে অবাক করা বিশেষত্ব। দীর্ঘক্ষণ জলমগ্ন অবস্থায় থাকলেও এই ধান গাছ পচে যায় না। এমনকি ঝড় বা ঝোড়ো হাওয়ার ধাক্কায় এই ধানের গাছ হেলেও পড়ে না। কোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল নষ্ট হওয়ার দুশ্চিন্তার হাত থেকেও অনেকটাই রক্ষা পাওয়া যায়।
রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্য বলছে ২০১১ সাল থেকে এই পর্যন্ত কৃষকদের উন্নতির স্বার্থে গবেষণার মাধ্যমে মোট ২৫টি নতুন ফসলের প্রজাতি তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টিই হল ধানের বিভিন্ন উন্নত ভ্যারাইটি।
