High Court: ৩০ হাজার কোটির সম্পত্তি নয়ছয়, রোজভ্যালি মামলায় SFIO-কে তদন্তের নির্দেশ
High Court on Rosevalley: কেন্দ্রীয় সংস্থার পর রাজ্যের অর্থ দফতরও রোজভ্যালি এডিসি কমিটির আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ফরেনসিক অডিট করতে অস্বীকার করে। কিছুদিন আগে ডিভিশন বেঞ্চে লিখিতভাবে এ কথা রাজ্য জানায়। তাদের ফরেনসিক অডিট করার পরিকাঠামো ও দক্ষ লোক নেই বলে জানানো হয়।

কলকাতা: সুপ্রিম কোর্টে ইডি ধাক্কা খাওয়ার পরের দিনই রোজভ্যালির বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রায় ৩০ হাজার কোটির সম্পত্তি নয়ছয় নিয়ে SFIO (সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিস)-কে তদন্ত শুরুর নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, আগামী এক মাসের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে আদালতে। সেই রির্পোটে কোনও অনিয়মের ইঙ্গিত পেলে SFIO ফরেনসিক অডিট শুরু করবে বলেই জানানো হয়েছে।
এই কাজের জন্য বিধি অনুযায়ী কেন্দ্রীয় কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রক কে SFIO-কে দ্রুত অনুমোদন দিতে হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি রিপোর্ট দিতে হবে আদালতে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে রোজভ্যালির আমানতকারীদের টাকা ফেরানো দিলীপ শেঠ কমিটি বন্ধ করে দেওয়ায় এদিনও হতাশা প্রকাশ করে ডিভিশন বেঞ্চ।
আদালতের বক্তব্য, পর পর সব অর্ডারে লেখা হচ্ছে, আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই কমিটির। কিন্তু তারপরও ভুক্তভোগীরা টাকা পাচ্ছেন না। কেন বন্ধ কেউ জানে না। প্রসঙ্গত, রোজভ্যালির সম্পত্তি আর্থিক নয়ছয় করার অভিযোগে হাইকোর্টের ফরেনসিক অডিটের নির্দেশ আটকাতে সুপ্রিম কোর্টে ইডি-র দায়ের করা মামলা সোমবার খারিজ করে শীর্ষ আদালত। তারপরেই এদিন হাইকোর্ট যাবতীয় গাইড লাইন দিয়ে তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেয় SFIO কে।
কেন্দ্রীয় সংস্থার পর রাজ্যের অর্থ দফতরও রোজভ্যালি এডিসি কমিটির আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ফরেনসিক অডিট করতে অস্বীকার করে। কিছুদিন আগে ডিভিশন বেঞ্চে লিখিতভাবে এ কথা রাজ্য জানায়। তাদের ফরেনসিক অডিট করার পরিকাঠামো ও দক্ষ লোক নেই বলে জানানো হয়। কিন্তু রাজ্যের তরফে এহেন বক্তব্যের পর হতাশ হয় হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, “বিষয়টি খুবই হতাশাজনক।”
