Judges Harassment: দুপুর থেকে আটকে রাখা হয়েছে বিচারকদের, মধ্যরাতে উদ্ধার কেন? প্রশ্ন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির
অপরদিকে, আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, "সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বাংলায় আছে নাকি?বাংলা,বিহার, উত্তরপ্রদেশে কোনও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নেই। দেখছেন না,একজন আদিবাসী মেয়েকে ধর্ষণের পর মুখে কালী লাগিয়ে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। তারপর উল্লাস।

কলকাতা: মালদহে সাত বিচারককে আটকে রাখার অভিযোগ। পরে তাঁদের গাড়িতে হামলা। এই ঘটনা ইতিমধ্যেই উঠেছে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। কড়া নিন্দা আদালতের। তবে, বিচারকদের উদ্ধার করতে কেন ৮ ঘণ্টা সময় লাগল? এবার সেই প্রশ্নই তুললেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস কর গুপ্ত।
তিনি বলেন, “বিচারকদের দিয়ে এসআইআর-এর কাজ করানো হচ্ছে। নাম বাদের ক্ষেত্রে তাঁদের তো কোনও ভূমিকা ছিল না। এই কাজটি যাতে সঠিকভাবে হয় সেইটাই দেখার কাজ বিচারকদের। একেই কাজের চাপ ভীষণ, সেগুলো ছেড়ে এই কাজ করতে হচ্ছে। সেখানে এই কাজ করতে হচ্ছএ। এই ঘটনা আকাঙ্খিত নয়। প্রশাসনের আরও বেশি অ্যাক্টিভ হওয়া উচিত ছিল। মধ্যরাতে উদ্ধার করা হল,জমায়েতের সঙ্গে সঙ্গেই তাঁদের উদ্ধার করা উচিত ছিল।” অপরদিকে, আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বাংলায় আছে নাকি?বাংলা,বিহার, উত্তরপ্রদেশে কোনও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নেই। দেখছেন না,একজন আদিবাসী মেয়েকে ধর্ষণের পর মুখে কালী লাগিয়ে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। তারপর উল্লাস। এগুলো হচ্ছে চূড়ান্ত অসভ্যতা। যেগুলো কিছু কিছু রাজনৈতিক দল নিজেদের আশ্রয়স্থল করে তুলেছে। সাধারণ মানুষের এর বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ করা উচিত।”
প্রসঙ্গত, এ রাজ্যে এখনও অবধি প্রায় ২২ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই নিয়েই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। দুপুর থেকে বিডিও অফিসে আটকে থাকেন সাত বিচারক। পরে হাইকোর্ট বিষয়টি জানায় নির্বাচন কমিশনকে। তারপরও উদ্ধার করা যায়নি। রাত্রি বারোটার পর তাঁদের উদ্ধার করে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। এতটা দেরি কেন? কেন জমায়েত হওয়ার পরও বিচারকদের উদ্ধার করা হল না? এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। একই প্রশ্ন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিরও।
