Mamata TMC on Election Commissioner Appointment: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে মমতা তৃণমূল, মামলায় যুক্ত করা হল তিন কমিশনারকেই!
Mamata TMC on Election Commissioner appointment: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নিয়োগের বাছাই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং দেশের প্রধান বিচারপতি থাকতেন। কিন্তু ২০২৩ সালের নতুন আইনে প্রধান বিচারপতির পরিবর্তে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একজন সদস্যকে কমিটিতে রাখা হয়। এই পরিবর্তন নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে আপত্তি উঠে এসেছে বিভিন্ন মহলে।

শ্রাবন্তী সাহা ও জ্যোতির্ময় কর্মকারের রিপোর্ট
নয়া দিল্লি: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হল মমতা তৃণমূল। শীর্ষ আদালতে মমতা তৃণমূলের হয়ে মামলাটি করেছেন সাংসদ দোলা সেন। এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশিকে। ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনের বৈধতা থেকে শুরু করে বাছাই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা-একাধিক বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে মামলায়। বিশেষ করে নিয়োগের বাছাই কমিটি থেকে দেশের প্রধান বিচারপতিকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে মামলাটির শুনানি হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
নিয়োগের আইন নিয়ে কেন প্রশ্ন?
২০২৩ সালে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ, তাঁদের চাকরির শর্ত ও মেয়াদ নির্ধারণের জন্য নতুন আইন পাস করে সংসদ। সেই আইনের অধীনে নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের সুপারিশ করার জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নিয়ম রয়েছে। কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একজন সদস্য।
এর আগে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নিয়োগের বাছাই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং দেশের প্রধান বিচারপতি থাকতেন। কিন্তু ২০২৩ সালের নতুন আইনে প্রধান বিচারপতির পরিবর্তে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একজন সদস্যকে কমিটিতে রাখা হয়। এই পরিবর্তন নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে আপত্তি উঠে এসেছে বিভিন্ন মহলে। এই নিয়ে আগে মামলাও হয়েছে শীর্ষ আদালতে। মমতা তৃণমূলের দায়ের করা নতুন মামলাতেও এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে বলে খবর।
তিন কমিশনারকে মামলায় যুক্ত করার দাবি
মামলায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশিকে যুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নিয়োগের পদ্ধতি এবং সংশ্লিষ্ট আইনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্নের পাশাপাশি বাছাই প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত নিয়ম যথাযথভাবে মানা হয়েছিল কি না, সেই বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
