Humayun on Naushad: ‘নওশাদের কর্মীরা আমার কাছে আসছেন, কলকাতায় দেখা হয়েছে’, এবার কোন খেলা ঘোরাচ্ছেন হুমায়ুন?
Humayun Kabir: ফুরফুরার প্রসঙ্গ উঠতেই অকপটে বললেন, ফুরফুরার পীরজাদাদের সঙ্গে আমার পটবে না। তারপরই খানিক সামলে নিয়েও খোঁচা দিলেন। বললেন, আমি ওনাদের কোনও অসম্মান করতে চাই না। ওখানে ধর্মগুরুদের বাস। ওনাদের সম্মান দিতে আমরা বাধ্য। এরপরই কটাক্ষের ধার আরও বাড়িয়ে একযোগে নিশানা করলেন ত্বহা থেকে অব্বাসকে।

কলকাতা: তিনি তৃণমূল-বিজেপি বিরোধী সবার সঙ্গে জোট করতে প্রস্তুত। সবার দরজা খোলা আছে বলেও দিয়েছিলেন ডেডলাইন। আবার নিজেই গিয়েছিলেন ফুরফুরা শরিফ। কিন্তু দেখা পাননি নওশাদ সিদ্দিকী থেকে আবার সিদ্দিকী কারওরই। এবার সেই হুমায়ুন কবীরই টিভি৯ বাংলার ম্যানেজিং এডিটর অমৃতাংশু ভট্টাচার্যের বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন নওশাদদের বিরুদ্ধে। তোপের পর তোপ দাগলেন ফুরফুরা শরিফের পীরজাদাদের বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে কিছুটা হলেও জোট নিয়ে কিছুটা হলেও স্ট্যান্ড ক্লিয়ার করলেন।
ফুরফুরার প্রসঙ্গ উঠতেই অকপটে বললেন, ফুরফুরার পীরজাদাদের সঙ্গে আমার পটবে না। তারপরই খানিক সামলে নিয়েও খোঁচা দিলেন। বললেন, আমি ওনাদের কোনও অসম্মান করতে চাই না। ওখানে ধর্মগুরুদের বাস। ওনাদের সম্মান দিতে আমরা বাধ্য। এরপরই কটাক্ষের ধার আরও বাড়িয়ে একযোগে নিশানা করলেন ত্বহা থেকে অব্বাসকে। চাঁচাছোলা ভাষাতেই আক্রমণ শানিয়ে বললেন, “রাজনীতিতে নোংরামি ত্বহা সিদ্দিকী সাহেব, কাশেম সিদ্দিকী, আব্বাস-নওশাদরা করছেন। সকাল বিকালে বক্তব্য পরিবর্তন হচ্ছে।”
শুরু থেকে শেষ অবধি হুমায়ুনের নিশানায় থাকলেন নওশাদই। যা দেখে রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, তলে তলে নওশাদ-হুমায়ুন বার্তালাপের যে কানঘুঁষো শোনা যাচ্ছিল সে গুড়ে পুরোপুরিই বালি। জোটের আর কোনও সম্ভাবনা নেই বলেলেই চলে। কারণ হুমায়ুন তো বেশ আক্রণাত্মকভাবেই বললেন, “৫ বছর বয়স হয়েছে নওশাদদের দলের। একটা বিধায়ক জিতেছে, কংগ্রেস শূন্য, সিপিএম শূন্য। বাংলার মানুষই করেছে। কিন্তু তাঁর দ্বিচারিতা, তাঁর আস্ফালন বাংলার মানুষ দেখছে। আমি নিজে দু’মাস ভাঙড়ের ৫০০ জনের সঙ্গে দেখা করেছি যাঁরা নওশাদকে ভোট দিয়ে বিধায়ক করেছে। তাঁরা সবাই নওশাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছে। কলকাতায় কথা হয়েছে। ওরা বলছে আমাদের ভোট নিয়ে বিধায়ক হয়ে আমাদেরই পাশে থাকছে না। মমতার পুলিশ মিথ্য়া মামলা দিচ্ছে, কোর্টে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছি। আমাদের কোনও পাশে দাঁড়ায় না, কোনও অর্থ সাহায্য করে না। খোঁজ খবর নেয় না। শুধু বড় বড় কথা বলছে।” তাহলে জোট? ভরতপুরের বিধায়ক বলছেন, “মিমের সঙ্গে আমার কথা হয়ে আছে। এছাড়াও এসডিপিআই, আজাদ সমাজ পার্টির মতো কয়েকটা ছোট ছোট দলের সঙ্গে কথা হচ্ছে।”
