বিশ্বকাপের আগে ধোনির সঙ্গে দেখা, সূর্যকে কী বলেছিলেন ক্যাপ্টেন কুল ?
২০০৭ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাকিস্তানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ধোনির ইয়ং ব্রিগেড। শুধু কুড়ি ওভার না, ২৮ বছর পর ভারতকে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপও দিয়েছেন ধোনি। তারপর ১৭ বছরের খরা কাটিয়েছিলেন রোহিত-বিরাটরা।

কলকাতা : গোটা বিশ্বকাপে তাঁর ব্যাট সেভাবে চলেনি। প্রথম ম্যাচে আমেরিকার বিরুদ্ধে ৮৪ নট আউট বাদ দিলে বাকি ম্যাচগুলোতে নিষ্প্রভ ছিলেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তবুও তাতে অসুবিধে হয়নি। একমাত্র দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ বাদ দিলে প্রতি ম্যাচেই হাসতে হাসতে জিতেছে ভারত। এসেছে বিশ্বকাপও। ২০০৭, ২০২৪, ২০২৬ – তিন বার বিশ্বকাপ জিতে বিশ্বজয়ীর তালিকার ‘ফার্স্ট বয়’ ভারত। এর আগে কোনও দেশ ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ আয়োজন করে বিশ্বকাপ জেতেনি। সেই দিক থেকে এই অনন্য রেকর্ডও গড়েছে ভারতীয় দল। বিশ্বকাপ জয়ের পর সূর্য জানালেন, কার পরামর্শে তিনি দলের উন্নতি ঘটিয়েছেন।
২০২৬ বিশ্বকাপের আগে ২০২৪ এও চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য ছিলেন সূর্য। বার্বাডোজের সেই ফাইনালে লং অফে তাঁর নেওয়া ক্যাচই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয়। এ’বছর অধিনায়ক হিসেবে ট্রফি জিতলেন সূর্য। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন,”বিশ্বকাপের আগে একটি ইভেন্টে মাহিভাইয়ের সঙ্গে আমার দেখা হয়। কোনও আইসিসি টুর্নামেন্টে কিরকম মানসিকতা থাকা উচিত, সেই নিয়েই মাহিভাই পরামর্শ দিয়েছিলেন। আমাদের সাহসী হতে বলেছিলেন মাহি ভাই। বলেছিলেন, আমাদের দল খুব ভাল। জয়ের পর ওঁর প্রতিক্রিয়া দেখেও ভাল লাগছে।” অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপ জিতে অবশ্যই আনন্দ হচ্ছে। বিশিষ্ট অধিনায়কদের তালিকায় ঢুকে ভাল লাগছে। ভবিষ্যতেও এভাবেই খেলে দেশকে ট্রফি জেতাতে চাই।” সূর্য জানিয়েছেন, তাঁদের পরবর্তী লক্ষ্য ২০২৮ সালের অলিম্পিক স্বর্ণপদক জেতা। তাঁর মনে হয় অলিম্পিক জয়ের পর আবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে পারলে চমকপ্রদ বিষয় হবে।
আপাতত কয়েক দিন বিশ্রাম নেবেন সূর্য। তারপরই প্রস্তুতি শুরু করে দেবেন আইপিএলের। ২০০৭ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাকিস্তানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ধোনির ইয়ং ব্রিগেড। শুধু কুড়ি ওভার না, ২৮ বছর পর ভারতকে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপও দিয়েছেন ধোনি। তারপর ১৭ বছরের খরা কাটিয়েছিলেন রোহিত-বিরাটরা। তার ঠিক পরের সংস্করণেই আবার চ্যাম্পিয়ন হল সূর্যের ভারত। ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, সূর্যের হাত ধরেই সূর্যোদয়ের সম্ভাবনা ঘটল ভারতীয় ক্রিকেটে।
