NEP 2020 implemented in West Bengal: সরকার বদলাতেই বাংলায় চালু জাতীয় শিক্ষানীতি, কী বলছেন সুকান্ত?
Sukanta Majumdar on NEP 2020 in West Bengal: জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে এই চুক্তির পর এবার রাজ্যে গড়ে উঠবে পিএমশ্রী (প্রধানমন্ত্রী স্কুলস ফর রাইজিং ইন্ডিয়া) বিদ্যালয়। তিন বছরের বেশি সময় ধরে রাজ্যে পিএমশ্রী প্রকল্প চালু নিয়ে টালবাহানা চলছিল। এবার রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে অন্তত একটি স্কুলকে এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

কলকাতা: সরকার বদল হতেই রাজ্যে চালু হল জাতীয় শিক্ষানীতি। পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের শিক্ষা বিভাগের মধ্যে চুক্তি সই হল। তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে বারবার অনীহা দেখা গিয়েছিল। এখন কেন্দ্র ও রাজ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার রয়েছে। আর বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের এক সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই জাতীয় শিক্ষানীতি চালু হল।
জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে এই চুক্তির পর এবার রাজ্যে গড়ে উঠবে পিএমশ্রী (প্রধানমন্ত্রী স্কুলস ফর রাইজিং ইন্ডিয়া) বিদ্যালয়। তিন বছরের বেশি সময় ধরে রাজ্যে পিএমশ্রী প্রকল্প চালু নিয়ে টালবাহানা চলছিল। এবার রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে অন্তত একটি স্কুলকে এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই চুক্তির পর কেন্দ্রের বক্তব্য, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক, নমনীয় ও কর্মমুখী করে তোলাই জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য। এই চুক্তি বাংলার ভেঙে পড়া শিক্ষাব্যবস্থাকে চাঙ্গা করবে।
পূর্বতন সরকারের আমলে রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে বারবার বিতর্ক হয়েছে। তারপরও রাজ্যে কার্যকরী হয়নি জাতীয় শিক্ষানীতি। বরং বিকল্প রাজ্য শিক্ষানীতি তৈরি করেছিল তৃণমূল সরকার।
কী বলছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার?
বাংলায় জাতীয় শিক্ষানীতি চালু হওয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এটাই ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধা, যা পশ্চিমবঙ্গবাসী পাচ্ছেন। এবং পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার্থীরা আগামিদিনে পাবে। একদিকে যেমন পিএমশ্রী স্কুল চালু হচ্ছে এখানে। যার ফলে রাজ্য সরকারের স্কুলগুলিই বিশেষ আর্থিক সহযোগিতা পাবে, যাতে স্কুলগুলিকে আরও ভালো করা যায়। দ্বিতীয়ত, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ লাগু হওয়ার ফলে স্কুল পর্যায় থেকে আমাদের বিদ্যার্থীরা হাতে কলমে কাজ শিখবে। আগামিদিনে পরিবর্তনশীল বিশ্বে আমাদের ছাত্রছাত্রীদের আরও বেশি আত্মনির্ভর ও অনেক শক্তিশালী করবে বলে আমার মনে হয়। এর ফলে যুবসমাজ আগামিদিনে আরও বেশি জব মার্কেটের জন্য উপযুক্ত হবে।”
