AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Saayoni Ghosh: জ্বল জ্বল করছে চোখ, সামনে কালো বিড়াল! সাতসকালে সায়নী ঘোষের কার্যালয়ের বাইরে এ কী কাণ্ড!

'কালীঘাট-তৃণমূল'-এর নেত্রী বসুন্ধরা গোস্বামীর নেতৃত্বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী দলীয় কর্মীরা একজোট হয়ে প্রতিবাদ করেন। হাতে পোস্টার, ব্যানার। তাতে লেখা বিশ্বাসঘাতক, গো ব্যাক গদ্দার। বিক্ষোভকারীদের কারোর হাতে আবার কালো বিড়ালের ছবি।

Saayoni Ghosh: জ্বল জ্বল করছে চোখ, সামনে কালো বিড়াল! সাতসকালে সায়নী ঘোষের কার্যালয়ের বাইরে এ কী কাণ্ড!
সায়নী ঘোষের কার্যালয়Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Aug 10, 2026 | 5:47 PM
Share

কলকাতা: দীর্ঘদিন তিনি আসছেন না। দেখা পাওয়া যাচ্ছে না তাঁর আপ্ত সহায়ককেও। এদিন গড়ফার কার্যালয়ে গিয়েছিলেন সায়নীর সহকারী। কার্যালয়ে যেতেই ‘আক্রান্ত’ তিনি। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের গড়ফা এলাকার দুলাল দাস ঠাকুর ভবনে সকালে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডে অবস্থিত তৃণমূলের এই পার্টি অফিস থেকেই নিজের দলের কাজ পরিচালনা করতেন সাংসদ সায়নী ঘোষ। কার্যালয় থেকে খুলে ফেলা হয়েছে সায়নীর নেমপ্লেট এবং মূল ফটকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে তালা।

অভিযোগ, ‘কালীঘাট-তৃণমূল’-এর নেত্রী বসুন্ধরা গোস্বামীর নেতৃত্বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী দলীয় কর্মীরা একজোট হয়ে প্রতিবাদ করেন। হাতে পোস্টার, ব্যানার। তাতে লেখা বিশ্বাসঘাতক, গো ব্যাক গদ্দার। বিক্ষোভকারীদের কারোর হাতে আবার কালো বিড়ালের ছবি।

পার্টি অফিসের বাইরে ‘কোনও গদ্দার এই অফিসে ঢুকবে না’ লেখা একাধিক পোস্টারও টাঙিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোলমালের সময় সায়নী ঘোষের সহকারী ওই কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন। দলীয় কর্মীরা তাঁকেও ঘাড়ধাক্কা দিয়ে পার্টি অফিস থেকে বের করে দেন।

এই ঘটনার পর থেকে গড়ফা ও সংলগ্ন ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল শিবিরের অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। এলাকাটিতে সায়নী ঘোষের প্রবেশ রুখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি তৃণমূলের একাংশের কর্মীদের। তবে এই চরম অপমানজনক ঘটনা এবং অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সাংসদ সায়নী ঘোষ বা তাঁর ঘনিষ্ঠ শিবিরের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

এক বিক্ষোভকারী  বলেন, “একজন বিশ্বাসঘাতক। আমাদের দলের কার্যালয়ের পরিবেশ উনি তাঁর জনসংযোগের জন্য ব্যবহার করতে পারেন না। যদি জনসংযোগ করতেই হয়, তাহলে অন্য কোথাও গিয়ে করুন। “

Follow Us