Surendra nath Law College: ‘সেই আগের মতো একই জিনিস হচ্ছে’, থ্রেট কালচার চলছে সুরেন্দ্রনাথে, দাবি উপাধ্যক্ষের
Kolkata: এ দিকে, পড়ুয়ারা এখনও অনড় উপাধক্ষ্যের ইস্তফা নিয়ে। একজন বলেন, "চারিদিকে বলা হচ্ছে আমরা নাকি ক্লাস ফাঁকি দিতে চাই। বার কাউন্সিলের ৭৫ শতাংশ উপস্থিতির নিয়মের জন্য ভয় পেয়ে আমরা ভাইস প্রিন্সিপালের পদত্যাগ চাইছি। সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা। এই প্রতিবাদ নিয়ম বাতিলের বিরুদ্ধে নয়।"

কলকাতা: সুরেন্দ্রনাথ আইন কলেজের উপাধ্যক্ষ মহম্মদি তরন্নুমকে জোর করে পদত্যাগ করানোর অভিযোগ। শুধু তাই নয়, ২৩ ঘণ্টা আটকে রেখে পড়ুয়াদের বিক্ষোভ। পরে ঘেরাও মুক্ত হতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ঘটনার ৩ দিন পর ফের কলেজ যাবেন বলে জানিয়ে দিলেন উপাধ্যক্ষ। একই সঙ্গে অভিযোগ করলেন কলেজে ফের ফিরে আসছে থ্রেট কালচার।
মহম্মদির দাবি তাঁকে জোর করে ইস্তফাপত্রে সই করানো হয়, তবে তিনি অফিশিয়ালি পদত্যাগ করেননি। জানান, “আপাতত একদিনের মেডিক্যাল লিভ নিয়েছি। শরীর ঠিক হলেই আমি অফিস যাব।” এরপরই থ্রেট কালচারের অভিযোগ করেন। তিনি জানান, “ছাত্র-শিক্ষক-কর্মচারি সকলকে থ্রেট দেওয়া হচ্ছে।” তিনি আবার বলেন, “আগের মতো এক জিনিস হচ্ছে। ক্লাস করব না, অফিস যাব না, আসব যাব বেতন নেব। একই ভাবে কলেজ চালাতে চাইছে।” তিনি এখানে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ কানকাটা দেবু ওরফে দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও নেন। বলেন, “দেবু পালিয়ে গেছে তবে তার বাহিনী বিজেপির কাছে আশ্রয় নিয়েছে।”
এ দিকে, পড়ুয়ারা এখনও অনড় উপাধক্ষ্যের ইস্তফা নিয়ে। একজন বলেন, “চারিদিকে বলা হচ্ছে আমরা নাকি ক্লাস ফাঁকি দিতে চাই। বার কাউন্সিলের ৭৫ শতাংশ উপস্থিতির নিয়মের জন্য ভয় পেয়ে আমরা ভাইস প্রিন্সিপালের পদত্যাগ চাইছি। সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা। এই প্রতিবাদ নিয়ম বাতিলের বিরুদ্ধে নয়।”
কী নিয়ে গণ্ডগোল?
কলেজে উপস্থিতির হার নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল সুরেন্দ্র কলেজ। ওই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে আসতেই বিক্ষোভ চরমে। জানা গিয়েছে, নির্দেশিকায় বলা হয়েছে ৭৫ শতাংশ উপস্থিতি না থাকলে পরীক্ষায় বসা যাবে না। এরপরই আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের দাবি, তাঁদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিতে হবে। উপাধ্যক্ষের দাবি, ABVP ছাত্র সংগঠন এই বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিল।
কলেজ থেকে বেরিয়েই উপাধ্যক্ষ বলেন, “জোর করে আমাকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়েছে। আমি কোনও ইস্তফা দিইনি।” একইসঙ্গে অভিযোগ তোলেন, একটা অন্ধকার করে তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল। আলো-পাখা বন্ধ করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ।
