AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Humayun Kabir: ‘শূন্য শূন্য যোগ করলে শূন্যই হয়’, বাম-কংগ্রেসকে খোঁচা দিয়েও সেলিমকে জোটের নেতা মানতে রাজি হুমায়ুন

Humayun Kabir on CPIM: কিন্তু ক’টা আসনে দিনের শেষে লড়তে চান হুমায়ুন? তিনি বলছেন, “জোট হলে তো আমাদের সিট শেয়ারিং কমে যাবে। তবে যতই কমুক, আমি ১৩৫ এর নিচে নামব না। যদি জোট না হয় তাহলে আমি একাই ১৮২ আসনে লড়ব। আমার মূল টার্গেট তৃণমূলকে পরাজিত করা, বিজেপিকেও মেজোরিটিতে পৌঁছাতে না দেওয়া। সে ক্ষেত্রে জোটের নেতৃত্ব যদি সেলিম সাহেব দেয় তাহলে সেটা আমি মানব।”

Humayun Kabir: ‘শূন্য শূন্য যোগ করলে শূন্যই হয়’, বাম-কংগ্রেসকে খোঁচা দিয়েও সেলিমকে জোটের নেতা মানতে রাজি হুমায়ুন
হুমায়ুন কবীর Image Credit: Facebook
| Edited By: | Updated on: Feb 08, 2026 | 12:12 PM
Share

কলকাতা: হুমায়ুনের দলের সঙ্গে কি জোট বাঁধবে সিপিএম-আইএসএফ-মিম? জল্পনার মধ্যেই এবার নতুন কথা ভরতপুরের বিধায়কের। সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জোট চূড়ান্ত হয়ে যাবে। জোট হলে ১৩৫ এর নিচে নামবেন না। আর জোট যদি হয় তাহলে তা একমাত্র মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বেই মানবেন। সাফ কথা হুমায়ুনের। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে হুমায়ুনের মুখে শোনা যায় একাধিক ইঙ্গিতপূর্ণ কথা। 

এদিকে কয়েকদিন আগেই আবার নিউটাউনে হুমায়ুন বৈঠক নিয়ে মুখ খুলতে দেখা গিয়েছিল সেলিমকে। সেদিন আবার তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে হলে মন্দির মসজিদ রাজনীতি জোড়া যাবে না। এখন হুমায়ুন বলছেন, “শূন্য শূন্য যোগ করলে শূন্যই হয়। সেই শূন্যের একটা কেটে গিয়েছে। আর একটা শূন্য আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আগ্রহ দেখিয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মিম, আইএসএফ, সিপিএমের মধ্যে কাদের সঙ্গে আমরা জোট বাঁধছি সেটা বাংলার মানুষ জানতে পেরে যাবে।”

কিন্তু ক’টা আসনে দিনের শেষে লড়তে চান হুমায়ুন? তিনি বলছেন, “জোট হলে তো আমাদের সিট শেয়ারিং কমে যাবে। তবে যতই কমুক, আমি ১৩৫ এর নিচে নামব না। যদি জোট না হয় তাহলে আমি একাই ১৮২ আসনে লড়ব। আমার মূল টার্গেট তৃণমূলকে পরাজিত করা, বিজেপিকেও মেজোরিটিতে পৌঁছাতে না দেওয়া। সে ক্ষেত্রে জোটের নেতৃত্ব যদি সেলিম সাহেব দেয় তাহলে সেটা আমি মানব। অন্য কাউকে জোটের নেতা মানব না।” তবে তীব্র কটাক্ষ করছে বিজেপি। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলছেন, “ভোটের আগে অনেকেই ফাঁকা আওয়াজ দেয়। দেখতে থাকুন না কী হয়।”