পুষ্টিতে এগিয়ে লাল চালের খিচুড়ি! চটপট বানিয়ে ফেলুন
লাল চাল কম পালিশ করা হয়, তাই এতে ফাইবার, আয়রন ও ম্যাগনেশিয়াম বেশি থাকে। পুষ্টিবিদদের মতে, এই চাল খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। তাই সাদা চালের বদলে মাঝে মাঝে লাল চাল খেলে ক্ষতি নেই, বরং উপকারই।

খিচুড়ি মানেই কি শুধু সাদা চাল আর ডাল? একটু বদল আনলেই কিন্তু এই চেনা পদটাই হয়ে উঠতে পারে আরও পুষ্টিকর,আর স্বাদেও আসবে বদল। লাল চালের খিচুড়ি ঠিক তেমনই, স্বাদে আলাদা, শরীরের জন্যও বাড়তি উপকারী। যাঁরা বাড়িতে স্বাস্থ্যকর রান্না করতে চান, তাঁদের জন্য এটি একেবারে সহজ, ঘরোয়া রেসিপি।
কেন লাল চাল খাবেন?
লাল চাল কম পালিশ করা হয়, তাই এতে ফাইবার, আয়রন ও ম্যাগনেশিয়াম বেশি থাকে। পুষ্টিবিদদের মতে, এই চাল খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। তাই সাদা চালের বদলে মাঝে মাঝে লাল চাল খেলে ক্ষতি নেই, বরং উপকারই।
কীভাবে বানাবেন লাল চালের খিচুড়ি?
উপকরণ
লাল চাল – ১ কাপ মুগ ডাল (হালকা ভাজা) – আধা কাপ আদা বাটা – ১ চা-চামচ হলুদ গুঁড়ো – আধা চা-চামচ জিরে – আধা চা-চামচ তেজপাতা – ১টি কুচোনো সবজি (গাজর, আলু, মটরশুঁটি) – ইচ্ছেমতো লবণ – স্বাদমতো ঘি – ১ চা-চামচ জল – প্রয়োজনমতো
প্রস্তুত প্রণালি
লাল চাল ভালো করে ধুয়ে অন্তত ৩০-৪০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এতে রান্না সহজ হবে, সময়ও কম লাগবে।মুগ ডাল শুকনো কড়াইয়ে হালকা ভেজে নিন। ডাল থেকে হালকা সুগন্ধ বেরোলেই হবে। হাঁড়ি বা প্রেসার কুকারে ঘি গরম করুন। জিরে ও তেজপাতা ফোড়ন দিন। জিরে ফুটতে শুরু করলেই আদা বাটা দিয়ে একটু নেড়ে নিন। ভেজানো চাল ও ভাজা ডাল একসঙ্গে দিয়ে নাড়ুন। হলুদ, লবণ ও সবজি মিশিয়ে দিন। লাল চাল সাদা চালের তুলনায় শক্ত, তাই একটু বেশি জল দিন (প্রায় ৩ কাপ বা প্রয়োজন অনুযায়ী)। প্রেসার কুকারে হলে ৩-৪টি সিটি দিন। হাঁড়িতে হলে ঢেকে মাঝারি আঁচে রান্না করুন, মাঝে মাঝে নেড়ে দেখুন। রান্না হয়ে গেলে ওপর থেকে সামান্য ঘি ছড়িয়ে ঢেকে পাঁচ মিনিট রেখে দিন। ব্যাস আপনার খিচুড়ি রেডি। গরম গরম খিচুড়ি পাপড়, বেগুন ভাজা বা টক দইয়ের সঙ্গে দারুণ লাগে। শরীর খারাপের দিনেও এটি সহজপাচ্য ও আরামদায়ক খাবার।
