AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Sleep Pattern: অ্যালার্ম বেজে যায়, সকালে কেন ঘুম ভাঙে না, জানেন?

Sleep Cycle: বহু মানুষ রয়েছেন যারা সারা রাত জেগে থাকতে পারেন, কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারেন না। কোনওভাবে ঘুম ভাঙলেও, মনে হয় যেন ঘুম কাটছে না। সারাক্ষণ ঝিমুনি ভাব, আলস্য় লাগে। কেন ভোরবেলা বা সকালেই ঘুম ভাঙতে চায় না, জানেন?  

| Updated on: Sep 13, 2026 | 1:50 PM
Share
বহু মানুষ রয়েছেন যারা সারা রাত জেগে থাকতে পারেন, কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারেন না। কোনওভাবে ঘুম ভাঙলেও, মনে হয় যেন ঘুম কাটছে না। সারাক্ষণ ঝিমুনি ভাব, আলস্য় লাগে। কেন ভোরবেলা বা সকালেই ঘুম ভাঙতে চায় না, জানেন?  

বহু মানুষ রয়েছেন যারা সারা রাত জেগে থাকতে পারেন, কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারেন না। কোনওভাবে ঘুম ভাঙলেও, মনে হয় যেন ঘুম কাটছে না। সারাক্ষণ ঝিমুনি ভাব, আলস্য় লাগে। কেন ভোরবেলা বা সকালেই ঘুম ভাঙতে চায় না, জানেন?  

1 / 9
বিজ্ঞানী-গবেষকরা এর খুব সহজ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাদের ব্যাখ্যা, মানুষের ঘুম ভাঙা বা ঘুম থেকে ওঠা কোনও মেশিনের মতো কাজ নয়। সুইচ দিলেই যেমন লাইট অন হয়ে যায়, এটা তেমন নয়। ঘুম ভাঙার প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে হয়।  

বিজ্ঞানী-গবেষকরা এর খুব সহজ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাদের ব্যাখ্যা, মানুষের ঘুম ভাঙা বা ঘুম থেকে ওঠা কোনও মেশিনের মতো কাজ নয়। সুইচ দিলেই যেমন লাইট অন হয়ে যায়, এটা তেমন নয়। ঘুম ভাঙার প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে হয়।  

2 / 9
জেগে থাকলে মস্তিষ্ক সচেতন থাকে। চিন্তাভাবনা করে। তখন মস্তিষ্কের তরঙ্গ সচল থাকে। ঘুমের সময় মস্তিষ্কের তরঙ্গ ধীর হয়ে যায়। এই তরঙ্গগুলি সজাগ হতে সময় লাগে। সেই কারণে ঘুম ভাঙে ধাপে ধাপে।  

জেগে থাকলে মস্তিষ্ক সচেতন থাকে। চিন্তাভাবনা করে। তখন মস্তিষ্কের তরঙ্গ সচল থাকে। ঘুমের সময় মস্তিষ্কের তরঙ্গ ধীর হয়ে যায়। এই তরঙ্গগুলি সজাগ হতে সময় লাগে। সেই কারণে ঘুম ভাঙে ধাপে ধাপে।  

3 / 9
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মস্তিষ্কের ভিতরের সাবকর্টিক্যাল অঞ্চলের একটি অংশ প্রথমে কাজ শুরু করে। এখানে রেটিকুলার অ্যাক্টিভেটিং সিস্টেম নামে এক বিশেষ ব্যবস্থা থাকে। এটি এক ধরনের সুইচের মতো কাজ করে। এটি থ্যালামাস নামক আরেকটি অংশে বার্তা পাঠায়।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মস্তিষ্কের ভিতরের সাবকর্টিক্যাল অঞ্চলের একটি অংশ প্রথমে কাজ শুরু করে। এখানে রেটিকুলার অ্যাক্টিভেটিং সিস্টেম নামে এক বিশেষ ব্যবস্থা থাকে। এটি এক ধরনের সুইচের মতো কাজ করে। এটি থ্যালামাস নামক আরেকটি অংশে বার্তা পাঠায়।

4 / 9
এই থ্যালামাস হল মস্তিষ্কের যোগাযোগ কেন্দ্র। সংবেদনশীল তথ্য এক অংশ থেকে আরেক অংশে পাঠায় এই থ্যালামাস। এরপর সেই সঙ্কেত যায় মস্তিষ্কের বাইরের স্তরে, সেরিব্রাল কর্টেক্সে। এর সাহায্যেই মানুষ চিন্তা করে এবং সিদ্ধান্ত নেয়।

এই থ্যালামাস হল মস্তিষ্কের যোগাযোগ কেন্দ্র। সংবেদনশীল তথ্য এক অংশ থেকে আরেক অংশে পাঠায় এই থ্যালামাস। এরপর সেই সঙ্কেত যায় মস্তিষ্কের বাইরের স্তরে, সেরিব্রাল কর্টেক্সে। এর সাহায্যেই মানুষ চিন্তা করে এবং সিদ্ধান্ত নেয়।

5 / 9
হালকা থেকে গভীর ঘুমের স্তরে থাকলে, একবারে পুরো জেগে ওঠা যায় না। পুরোপুরি জেগে উঠলে তারপর মস্তিষ্ক সচল হয়। 

হালকা থেকে গভীর ঘুমের স্তরে থাকলে, একবারে পুরো জেগে ওঠা যায় না। পুরোপুরি জেগে উঠলে তারপর মস্তিষ্ক সচল হয়। 

6 / 9
অন্যদিকে, গভীর ঘুমে থাকলে সেই সময় স্বপ্ন দেখে মানুষ। ঘুম ভাঙার সময় মস্তিষ্কের কার্যকলাপ শুরু হয় মাথার সামনের ও মাঝের অংশে। এরপর ধীরে ধীরে পেছনের দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

অন্যদিকে, গভীর ঘুমে থাকলে সেই সময় স্বপ্ন দেখে মানুষ। ঘুম ভাঙার সময় মস্তিষ্কের কার্যকলাপ শুরু হয় মাথার সামনের ও মাঝের অংশে। এরপর ধীরে ধীরে পেছনের দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

7 / 9
অনেক সময় ঘুম ভাঙলেও, পুরোপুরি জেগে উঠতে দেরি হয়। জেগে ওঠার পরও মস্তিষ্কের সব ক্ষমতা একসঙ্গে সক্রিয় হয় না। কিছুটা সময় লাগে। এটিকে বলা হয় স্লিপ ইনার্শিয়া। এই সময়ে তারা একটু ঘোরের মধ্যে থাকে। চোখ খুলে ফেললেও, মাথা কাজ করছে না। এই ঘোর ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত থাকতে পারে।

অনেক সময় ঘুম ভাঙলেও, পুরোপুরি জেগে উঠতে দেরি হয়। জেগে ওঠার পরও মস্তিষ্কের সব ক্ষমতা একসঙ্গে সক্রিয় হয় না। কিছুটা সময় লাগে। এটিকে বলা হয় স্লিপ ইনার্শিয়া। এই সময়ে তারা একটু ঘোরের মধ্যে থাকে। চোখ খুলে ফেললেও, মাথা কাজ করছে না। এই ঘোর ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত থাকতে পারে।

8 / 9
মস্তিষ্কে প্রতি ৫০ সেকেন্ডে একটি ছোট চক্র তৈরি করে। এই চক্রের তৈরি বা বিল্ড-আপ ধাপে গভীর ঘুমে থাকে মানুষ। তখন ঘুম থেকে ওঠা কঠিন হয়। যখন এই চক্র ক্ষীণ হয়ে যায়, তখন ঘুম হালকা হয়ে যায়। তখন জেগে ওঠা সহজ হয়।

মস্তিষ্কে প্রতি ৫০ সেকেন্ডে একটি ছোট চক্র তৈরি করে। এই চক্রের তৈরি বা বিল্ড-আপ ধাপে গভীর ঘুমে থাকে মানুষ। তখন ঘুম থেকে ওঠা কঠিন হয়। যখন এই চক্র ক্ষীণ হয়ে যায়, তখন ঘুম হালকা হয়ে যায়। তখন জেগে ওঠা সহজ হয়।

9 / 9
Follow Us