AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

অচেনা জায়গায় রাতে ঘুম আসে না? কারণ জানলে অবাক হবেন!

ঘুরতে গিয়ে বা অন্য কোথাও রাত্রিবাস করলে অনেকেরই প্রথম রাতে ঘুম আসতে চায় না। কেন আমাদের মস্তিষ্ক অচেনা পরিবেশে এমন আচরণ করে? এটা কী কোনও অসুখ? এক গবেষণায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য।

| Updated on: Apr 09, 2026 | 1:34 PM
Share
বেড়াতে গিয়ে বা নতুন কোনও বাড়িতে প্রথম রাতে কি আপনারও দু চোখের পাতা এক হয় না? সামান্য শব্দেই কি বারবার ঘুম ভেঙে যায়? বিজ্ঞানের ভাষায় এই সমস্যার নাম হল ‘ফার্স্ট নাইট এফেক্ট’। সম্প্রতি অস্ট্রিয়ার সলজবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এর নেপথ্যে থাকা আসল কারণ খুঁজে বের করেছেন। Free Pik

বেড়াতে গিয়ে বা নতুন কোনও বাড়িতে প্রথম রাতে কি আপনারও দু চোখের পাতা এক হয় না? সামান্য শব্দেই কি বারবার ঘুম ভেঙে যায়? বিজ্ঞানের ভাষায় এই সমস্যার নাম হল ‘ফার্স্ট নাইট এফেক্ট’। সম্প্রতি অস্ট্রিয়ার সলজবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এর নেপথ্যে থাকা আসল কারণ খুঁজে বের করেছেন। Free Pik

1 / 8
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অচেনা পরিবেশে ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্কের কিছু অংশ সজাগ থাকে। আসলে ঘুমন্ত অবস্থায় মস্তিষ্কের কিছু অনুভূতি জেগে থাকা অবস্থার চেয়েও বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই অতি-সক্রিয়তাই আমাদের চারপাশের পরিবেশ সম্পর্কে অতিরিক্ত সচেতন করে রাখে, যার ফলে সহজে ঘুম আসতে চায় না। Free Pik

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অচেনা পরিবেশে ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্কের কিছু অংশ সজাগ থাকে। আসলে ঘুমন্ত অবস্থায় মস্তিষ্কের কিছু অনুভূতি জেগে থাকা অবস্থার চেয়েও বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই অতি-সক্রিয়তাই আমাদের চারপাশের পরিবেশ সম্পর্কে অতিরিক্ত সচেতন করে রাখে, যার ফলে সহজে ঘুম আসতে চায় না। Free Pik

2 / 8
গবেষকরা ঘুমের সময় মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা মাপতে ‘ইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাফি’ বা ইইজি (EEG) মেশিন ব্যবহার করেছিলেন। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, অপরিচিত পরিবেশে শুলে মস্তিষ্ক পারিপার্শ্বিক শব্দ বা সামান্য নড়াচড়াকে বিপদ হিসেবে গণ্য করে। সেই কারণেই গভীর ঘুমের বদলে মস্তিষ্ক হালকা তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে। Free Pik

গবেষকরা ঘুমের সময় মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা মাপতে ‘ইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাফি’ বা ইইজি (EEG) মেশিন ব্যবহার করেছিলেন। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, অপরিচিত পরিবেশে শুলে মস্তিষ্ক পারিপার্শ্বিক শব্দ বা সামান্য নড়াচড়াকে বিপদ হিসেবে গণ্য করে। সেই কারণেই গভীর ঘুমের বদলে মস্তিষ্ক হালকা তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে। Free Pik

3 / 8
পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ওপর একটি মজার পর্যবেক্ষণ চালানো হয়েছিল। প্রথম রাতে তাঁদের অচেনা জায়গায় নিজের মতো ঘুমোতে দেওয়া হয়। দেখা যায়, জায়গাটির সঙ্গে মানিয়ে নিতে তাঁদের মস্তিষ্ক বেশ বেগ পাচ্ছে এবং ঘুমের মান যথেষ্ট খারাপ হয়েছে। Free Pik

পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ওপর একটি মজার পর্যবেক্ষণ চালানো হয়েছিল। প্রথম রাতে তাঁদের অচেনা জায়গায় নিজের মতো ঘুমোতে দেওয়া হয়। দেখা যায়, জায়গাটির সঙ্গে মানিয়ে নিতে তাঁদের মস্তিষ্ক বেশ বেগ পাচ্ছে এবং ঘুমের মান যথেষ্ট খারাপ হয়েছে। Free Pik

4 / 8
দ্বিতীয় রাতে তাঁদের ঘুমের মধ্যে খুব মৃদু স্বরে অতি-পরিচিত বা বাড়ির মানুষের গলার স্বর শোনানো হয়। আশ্চর্যজনকভাবে দেখা যায়, অচেনা জায়গা হলেও পরিচিত আওয়াজ শোনার ফলে তাঁদের ঘুম আগের চেয়ে অনেক বেশি গাঢ় হয়েছে। অর্থাৎ মস্তিষ্ক তখন নিজেকে নিরাপদ মনে করছে। Free Pik

দ্বিতীয় রাতে তাঁদের ঘুমের মধ্যে খুব মৃদু স্বরে অতি-পরিচিত বা বাড়ির মানুষের গলার স্বর শোনানো হয়। আশ্চর্যজনকভাবে দেখা যায়, অচেনা জায়গা হলেও পরিচিত আওয়াজ শোনার ফলে তাঁদের ঘুম আগের চেয়ে অনেক বেশি গাঢ় হয়েছে। অর্থাৎ মস্তিষ্ক তখন নিজেকে নিরাপদ মনে করছে। Free Pik

5 / 8
তৃতীয় রাতে গবেষকরা ঘুমের মধ্যে অপরিচিত মানুষের গলায় তাঁদের নাম ধরে ডাকেন অথবা অদ্ভুত শব্দ করেন। দেখা গিয়েছে, শব্দের তীব্রতা খুব কম হলেও অপরিচিত হওয়ার কারণে তাঁদের ঘুম সঙ্গে সঙ্গে পাতলা হয়ে গিয়েছিল। মস্তিষ্ক তৎক্ষণাৎ সজাগ হয়ে আত্মরক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছিল। Free Pik

তৃতীয় রাতে গবেষকরা ঘুমের মধ্যে অপরিচিত মানুষের গলায় তাঁদের নাম ধরে ডাকেন অথবা অদ্ভুত শব্দ করেন। দেখা গিয়েছে, শব্দের তীব্রতা খুব কম হলেও অপরিচিত হওয়ার কারণে তাঁদের ঘুম সঙ্গে সঙ্গে পাতলা হয়ে গিয়েছিল। মস্তিষ্ক তৎক্ষণাৎ সজাগ হয়ে আত্মরক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছিল। Free Pik

6 / 8
বিজ্ঞানীদের ধারণা, এটি আসলে মানুষের আদিম প্রবৃত্তি। আদিম যুগে বন্য প্রাণীর আক্রমণ থেকে বাঁচতে মানুষ ঘুমের মধ্যেও সজাগ থাকার এই কৌশল রপ্ত করেছিল। জিনের মাধ্যমে সেই প্রাচীন অভ্যাস আজও আমাদের শরীরে বয়ে চলেছে, যা অচেনা জায়গায় প্রকট হয়ে ওঠে। Free Pik

বিজ্ঞানীদের ধারণা, এটি আসলে মানুষের আদিম প্রবৃত্তি। আদিম যুগে বন্য প্রাণীর আক্রমণ থেকে বাঁচতে মানুষ ঘুমের মধ্যেও সজাগ থাকার এই কৌশল রপ্ত করেছিল। জিনের মাধ্যমে সেই প্রাচীন অভ্যাস আজও আমাদের শরীরে বয়ে চলেছে, যা অচেনা জায়গায় প্রকট হয়ে ওঠে। Free Pik

7 / 8
সুতরাং, নতুন জায়গায় ঘুম না হওয়া কোনও অসুখ নয়, বরং আপনার মস্তিষ্কের বাড়তি সতর্কতারই প্রমাণ। তবে এই সমস্যা কাটানোর জন্য নিজের বালিশ বা পরিচিত সুগন্ধি সাথে রাখতে পারেন। এতে মস্তিষ্ক জায়গাটিকে নিরাপদ ভেবে দ্রুত গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হতে সাহায্য করবে। Free Pik

সুতরাং, নতুন জায়গায় ঘুম না হওয়া কোনও অসুখ নয়, বরং আপনার মস্তিষ্কের বাড়তি সতর্কতারই প্রমাণ। তবে এই সমস্যা কাটানোর জন্য নিজের বালিশ বা পরিচিত সুগন্ধি সাথে রাখতে পারেন। এতে মস্তিষ্ক জায়গাটিকে নিরাপদ ভেবে দ্রুত গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হতে সাহায্য করবে। Free Pik

8 / 8
Follow Us