KKR : ব্যাটিংয়ের পর এবার নতুন দায়িত্ব, প্রথম ম্যাচেই পরীক্ষার সামনে তরুণ নাইট!
বয়স ২১ হলেও বেশ লাজুক স্বভাবের ছেলে অঙ্গকৃষ। এর আগে খেলেছেন সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফি ও বিজয় হাজারেতে। তবে, লাল বলে খুব একটা সুযোগ পাননি এই মুম্বইকর। তবু, দলগত কারণেও কখনও কখনও নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে খুশি নন তিনি।

কলকাতা: আইপিএলের বেশ কয়েকটি সিজন ধরেই নাইট দলে রয়েছেন এই তরুণ ক্রিকেটার। খেলেছেন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসও। এই সিজনে তাঁকে দেখা যেতে পারে নতুন ভূমিকায়। বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে, আইপিএলে উইকেট কিপার হিসেবে দেখা যেতে পারে তাঁকে। দলে দুই অভিজ্ঞ কিপার, টিম সেইফার্ট ও তেজস্বী দাহিয়া থাকলেও এই আইপিএলে উইকেটের পিছনে দাঁড়াতে দেখা যেতে পারে অঙ্গকৃষ রঘুবংশীকে। কিন্তু তিনি, অঙ্গকৃষ, কতটা প্রস্তুত এই নতুন পরীক্ষার জন্য ?
২০২৪ সালে কেকেআর শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন অঙ্গকৃষ। শেষ সিজনে খেলেছিলেন ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ হিসেবে। তবে শোনা যাচ্ছে, এই আইপিএলে তাঁকে বাড়তি দায়িত্ব দিতে পারে কেকেআর। টিমে একজন বিদেশীকে যোগ করতে তাঁকে কিপার হিসেবে খেলাতে পারে নাইট শিবির। অতীতে মুম্বইয়ের হয়ে কিপিং করেছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আপ্রাণ চেষ্টা করবেন এই বছর।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই=কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অঙ্গকৃষ জানিয়েছেন,”মুম্বই দলে আমি কিপিং করেছি আগেই। ওরা চেয়েছিল আমি যেন কিপিং করি। এই চ্যালেঞ্জ আমার কাছে নতুন হলেও আমি বেশ উপভোগ করেছি। আগে থেকেই আমি কিপিং প্র্যাকটিস করেছি। দেখা যাক, কী হয়।” সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, ভারতীয় দলে ‘মাল্টিটাস্কার’ রোলে অনেককে দেখা যাচ্ছে। ফলে, তিলক ভার্মা বা যশস্বীকেও বোলিং করতে দেখা যাচ্ছে। এই বিষয়েই অঙ্গকৃষ বললেন,”আমি ওসব নিয়ে ভাবছি না। আমি শুধু নিজেকে নিয়েই ভাবি। আমার লড়াই নিজের বিরুদ্ধেই। যত বেশি সম্ভব, নিজের খেলার উন্নতি করতে চাই আমি। দেশের জার্সিতে খেলতে চাই।”
বয়স ২১ হলেও বেশ লাজুক স্বভাবের ছেলে অঙ্গকৃষ। এর আগে খেলেছেন সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফি ও বিজয় হাজারেতে। তবে, লাল বলে খুব একটা সুযোগ পাননি এই মুম্বইকর। তবু, দলগত কারণেও কখনও কখনও নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে খুশি নন তিনি। তাঁর মত,”আমি যতটা সম্ভব পরিশ্রম করার চেষ্টা করি। মুম্বই একটাও সাদা বলের প্রতিযোগিতায় না জিতলেও আমরা অনেক কিছু শিখেছি। প্রত্যেক মরসুমে নিজের প্রস্তুত করেছি, নিজেদের ক্রমাগত উন্নত করার চেষ্টা করেছি। প্রতিদিন শেখার মাধ্যমে উন্নতি করাই মূল লক্ষ্য থাকে আমাদের।”
