AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Mukul Choudhary : ছেলের জন্য জেল খেটেছেন বাবা, দলকে জিতিয়ে ঋনশোধ দিল ছেলে!

IPL 2026 : রাজস্থানের ঝুনুঝুনু জেলার নিবাসী দলীপদের গ্রামে কোনও ক্রিকেট অ্যাকাডেমি না থাকায় প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূর শিকর বলে একটি জায়গায় ভর্তি করেছেন ছেলেকে। এদিকে নিজের ব্যবসায় মন্দা চলাকালীন রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা শুরু করেন তিনি। সেই ব্যবসার জন্য ঋণ নিতে হয়েছিল তাঁকে। ঋণ শোধ করতে না পারায় হাজতবাসও করেছেন দলীপ।

Mukul Choudhary : ছেলের জন্য জেল খেটেছেন বাবা, দলকে জিতিয়ে ঋনশোধ দিল ছেলে!
দলকে জিতিয়ে মুকুল চৌধুরী।Image Credit: PTI
| Edited By: | Updated on: Apr 11, 2026 | 11:49 AM
Share

কলকাতা : এতক্ষনে গোটা দেশ চিনে গিয়েছে মুকুল চৌধুরীকে। লখনৌয়ের হয়ে ইডেনে কেকেআরের বিরুদ্ধে ২৭ বলে ৫৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে মাঠ ছেড়েছেন মুকুল। শেষ ৪ ওভারে প্রায় ৫০ রান বাকি ছিল। সেখান থেকেই নিজের দমে জেতালেন লখনৌকে। এরপরেই তাঁকে নিয়ে চর্চার অন্ত নেই। কিন্তু মুকুলের এই উত্থানের পিছনে অবদান রয়েছে তাঁর বাবা দলীপ চৌধুরীর। ছেলেকে ক্রিকেটার বানাতে গিয়ে জেলে গিয়েছিলেন দলীপ। আর্থিক সঙ্কটের বিরুদ্ধে লড়তে লড়তে আইপিএল খেলছেন মুকুল। এই কথাই যেন মনে পড়ে যাচ্ছিল দলীপের।

মুকুলের পিতার কথায়,”আমি ছেলের জন্মের আগেই ঠিক করে রেখেছিলাম যে ছেলে হলে তাকে ক্রিকেটারই বানাব। সবাই যখন ক্রিকেটার হচ্ছে, আমার ছেলে কেন পারবে না?” তবে বাস্তব ছিল বড্ড রূঢ়। রাজস্থানের ঝুনুঝুনু জেলার নিবাসী দলীপদের গ্রামে কোনও ক্রিকেট অ্যাকাডেমি না থাকায় প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূর শিকর বলে একটি জায়গায় ভর্তি করেছেন ছেলেকে। এদিকে নিজের ব্যবসায় মন্দা চলাকালীন রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা শুরু করেন তিনি। সেই ব্যবসার জন্য ঋণ নিতে হয়েছিল তাঁকে। ঋণ শোধ করতে না পারায় হাজতবাসও করেছেন দলীপ। সেই কথাই বলছিলেন মুকুলের গর্বিত পিতা। মুকুলকে ক্রিকেটার বানাতে গিয়ে বাড়িও বিক্রি করে দিতে হয় দলীপকে। তারপর রাজস্থান মুকুলকে ২.৬০ কোটি টাকায় কেনার পর মুকুল জানিয়েছিলেন বাবার ঋণ শোধ করার কথা।

দলীপ বলছিলেন,”আমার এই খামখেয়ালি মনোভাবের জন্য আত্মীয়রা দূরত্ব বজায় রাখতে শুরু করেছিল। সবাই বলত, আমি পাগল। নিজের জীবনের সঙ্গে ছেলের জীবনও নষ্ট করছি।” কিন্তু জীবন যে নষ্ট হয়নি, তা মুকুলের পারফরম্যান্স দেখে বলে দেওয়াই যায়। মুকুল নিজেও খুশি তাঁর এই ইনিংস নিয়ে। সংবাদমাধ্যমকে জানালেন,”অতীতে মাহি ভাইকে এভাবে ম্যাচ ফিনিশ করতে দেখেছি। আমি ভেবেই রেখেছিলাম, যতক্ষণ ক্রিজে আয়ুষ (বাদোনি) রয়েছে আমি ঝুঁকি নেব না। কিন্তু ও আউট হওয়ার পর টেলএন্ডাররা ক্রিজে আসায় আমি সিদ্ধান্ত নিই, যা করার আমাকেই করতে হবে।” যা করার তাই করেছেন মুকুল। দুরন্ত এক ইনিংস খেলে খাদের ধার থেকে টেনে তুলেছেন লখনৌকে। বলা যায়, তাঁর ব্যাটেই একপ্রকার স্বপ্ন দেখছে এলএসজি।

Follow Us