Mohun Bagan: এফসি কাপে নিয়মরক্ষার ম্যাচেও হার মোহনবাগানের
AFC CUP, Mohun Bagan Super Giant-Maziya SRC: ম্যাচের ৬ মিনিটে ফ্রিকিক পায় মাজিয়া। ১৩ মিনিটে মাজিয়ার ভোজিস্লাভ বালাবানোভিচের শট আটকে দেন বাগান গোলকিপার আর্শ আনোয়ার। ১ মিনিট বাদে হাসান রাইফের শট রুখে দেন তিনিই। ১৫ মিনিটে ব্রানিমির জোসিচের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ১৮ মিনিটে মোহনবাগানের তরুণ ফুটবলার এনজসন সিংয়ের শট বাইরে যায়। ২৭ মিনিটে এনজসনের প্রচেষ্টা রুখে দেয় মাজিয়া।

মালে (মলদ্বীপ): নিয়মরক্ষার ম্যাচেও হার মোহনবাগানের। মলদ্বীপের মাজিয়া এসআরসির কাছে ০-১ গোলে হার সবুজ-মেরুনের। খেলার ৪০ মিনিটে মাজিয়ার হয়ে জয়সূচক গোল হাসান রাইফ আহমেদের। এএফসি কাপ থেকে আগেই ছিটকে গিয়েছিল গঙ্গাপারের ক্লাব। মাজিয়ার কাছে হারের ফলে পয়েন্ট টেবলে তিন নম্বরেই শেষ করল মোহনবাগান। ৬ ম্যাচে বাগানের ঝুলিতে ৭ পয়েন্ট। এএফসি কাপে শেষ চার ম্যাচে জয়ের দেখা পেল না সবুজ-মেরুন। ওড়িশার কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর মাজিয়ার কাছে ০-১ গোলে পরাস্ত আইএসএল চ্যাম্পিয়নরা। টানা তিন বছর এএফসি কাপে খেললেও শূন্য হাতেই শেষ করল মোহনবাগান। শেষ তিন বছরে এএফসিতে সাফল্য বলতে জোনাল সেমিফাইনাল। কখনও উজবেকিস্তানের দল, কখনও মালয়েশিয়ার দলের কাছে জোনাল সেমিফাইনালে হারতে হয়েছে। এ বছর গ্রুপ রাউন্ড টপকাতেই ব্যর্থ ফেরান্দোর দল। বিস্তারিত জেনে নিন TV9Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
নিয়মরক্ষার ম্যাচ। তাই বিদেশি ছাড়াই মলদ্বীপে এএফসি কাপের ম্যাচ খেলতে গিয়েছিল মোহনবাগান। বেশ কয়েকজন সিনিয়র ফুটবলারও যাননি মলদ্বীপে। মূলত তরুণ ব্রিগেডই যায় এএফসি কাপের ম্যাচ খেলতে। দলের সঙ্গে যায় ১৩জন ফুটবলার। ওড়িশার কাছে ঘরের মাঠে বিধ্বস্ত হওয়ার পরই এএফসি কাপের ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় মোহনবাগান। এএফসি থেকে ছিটকে যাওয়ার পর আইএসএলকেই এখন ফোকাস করেছে বাগান টিম ম্যানেজমেন্ট। আইএসএলে প্রথম বার লিগ শিল্ড জিততে মরিয়া ফেরান্দো ব্রিগেড। নিয়মরক্ষার ম্যাচেও বাগানের দেশিয় ফুটবলাররা মলদ্বীপের মাজিয়া এফসির বিরুদ্ধে বেশ লড়াই চালালেন।
ম্যাচের ৬ মিনিটে ফ্রিকিক পায় মাজিয়া। ১৩ মিনিটে মাজিয়ার ভোজিস্লাভ বালাবানোভিচের শট আটকে দেন বাগান গোলকিপার আর্শ আনোয়ার। ১ মিনিট বাদে হাসান রাইফের শট রুখে দেন তিনিই। ১৫ মিনিটে ব্রানিমির জোসিচের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ১৮ মিনিটে মোহনবাগানের তরুণ ফুটবলার এনজসন সিংয়ের শট বাইরে যায়। ২৭ মিনিটে এনজসনের প্রচেষ্টা রুখে দেয় মাজিয়া।
মাজিয়া ১ মোহনবাগান ০
(হাসান ৪০’)
খেলার ৪০ মিনিটে বক্সের কিছুটা বাইরে থেকে মাজিয়ার হাসান রাইফ কোনাকুনি শটে পরাস্ত করেন বাগান গোলকিপারকে (১-০)। বিরতির ঠিক আগে ২-০ করার মতো পরিস্থিতিও তৈরি করে ফেলে মাজিয়া। দ্বিতীয়ার্ধে ফারদিন আলি মোল্লাকে নামিয়ে আক্রমণে জোর বাড়ানোর চেষ্টা করে মোহনবাগান। তাতে অবশ্য লাভজনক কিছু হয়নি। বরং দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল মাজিয়ার কাছে। ভাগ্য ভালো থাকায় আর গোল হজম করেনি মোহনবাগান। ম্যাচ শেষ হওয়ার তিন মিনিট আগে টাইসন সিংয়ের বদলে সৈয়দ জায়েদকে নামায় সবুজ-মেরুন। এএফসি থেকে খালি হাতে ফেরার পর প্রাপ্তি শুধু একটাই, আন্তর্জাতিক স্তরে তরুণ ব্রিগেডকে খেলিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেওয়া।
মোহনবাগান: আর্শ আনোয়ার, অমন, সুমিত রাঠি, দীপক টাঙরি, হামতে, রাজ, রবি বাহাদুর রানা, অভিষেক, টাইসন সিং, এনজসন সিং, সুহেল ভাট।





