AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কটে বিপুল ক্ষতির মুখে আইসিসি, ভাজ্জির ‘টার্গেট’ বাবররা

ভারত ম্য়াচ না খেলার দরুণ পিসিবি আর্থিক অনুদান হারালে পাকিস্তানি ক্রিকেট বড়সড় বিপদে পড়তে পারে। সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে পাকিস্তানকে সতর্ক করে দিয়েছে আইসিসি। এই ম্যাচে প্রতি ১০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনী খরচ ওঠে ২৫-৪০ লক্ষ টাকা। যদি এই ম্যাচ না হয়, বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে পাকিস্তানও।

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কটে বিপুল ক্ষতির মুখে আইসিসি, ভাজ্জির 'টার্গেট' বাবররা
| Edited By: | Updated on: Feb 02, 2026 | 4:10 PM
Share

কলকাতা : ভারত বনাম পাক ম্যাচ মানেই আয়োজক সংস্থার জন্য লক্ষ্মীলাভ। ক্রিকেট হোক বা হকি খেলা যাই হোক না কেন, এই ম্যাচ নিয়ে তেতে থাকে দর্শককুল। কিন্তু রবিবার পাকিস্তানের সিদ্ধান্তে রীতিমত হইচই পড়ে গিয়েছে ক্রিকেট বিশ্বে। বিশ্বকাপ খেললেও স্রেফ ভারত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাক ক্রিকেট বোর্ড। যা নিয়ে আইসিসির রোষের মুখে পড়েছে তারা। প্রথমে বাংলাদেশের সমর্থনে পাকিস্তান না খেলার কথা বললেও পিছু হটে তারা। যদিও বাংলাদেশের বদলে ব়্যাঙ্কিং অনুযায়ী সুযোগ পেয়ে গিয়েছে স্কটল্যান্ড। এর মধ্যেই পাক বোর্ডের নতুন নাটক “ভারত ম্যাচ বয়কট”।

পাকিস্তান যতই “কূটনৈতিক চাল” দেওয়ার কথা বলুক, ভারত-পাক ম্য়াচ যদি না হয়, অঙ্কের বিচারে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়বে আইসিসি। টিভি সম্প্রচার, বিজ্ঞাপন, ডিজিটাল সম্প্রচার, টিকিট রেভিনিউ মিলিয়ে সংখ্যাটা প্রায় ৫০০ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার। যা ভারতীয় মূল্যে প্রায় ৪৫০০ কোটি টাকা। এই ম্যাচে প্রতি ১০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনী খরচ ওঠে ২৫-৪০ লক্ষ টাকা। যদি এই ম্যাচ না হয়, বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে পাকিস্তানও। আইসিসির রেভিনিউয়ের ৫.৭৫% অংশ বার্ষিক অনুদানও হারাবে তারা। যা প্রায় ৩৫ মিলিয়ন ডলার। পাকিস্তানের এমনিতে আর্থিক অবস্থা বেশ খারাপ। ক্রিকেটারদের বার্ষিক আয়ও তেমন নয়। ভারত ম্য়াচ না খেলার দরুণ পিসিবি আর্থিক অনুদান হারালে পাকিস্তানি ক্রিকেট বড়সড় বিপদে পড়তে পারে। সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে পাকিস্তানকে সতর্ক করে দিয়েছে আইসিসি। কিন্তু পাকিস্তানের এই নতুন “চাল” আগুনে ঘি দিয়েছে বলা যায়।

এতেই শেষ নয়, পাকিস্তানের হারানোর তালিকা আরও লম্বা হতে পারে। ভারত ম্যাচ না খেলার ফলে জনগণের সমর্থন হারাতে পারে তারা। পাশাপাশি পিসিবির বিরুদ্ধে চলে যেতে পারে আইসিসিও। যা নির্বাসনের সমান বিপজ্জনক হতে পারে বাবর, হ্যারিস রউফদের কাছে।

এর মধ্যেই নিজের ইউটিউব চ্যানেলে পাকিস্তানকে একহাত নিলেন প্রাক্তন ভারতীয় স্পিনার হরভজন সিং। তিনি বলে দিয়েছেন, “পাকিস্তানের এই নাটকের ফলে একটা বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।” অন্যদিকে, প্রাক্তন পাক ক্রিকেটার রশিদ লতিফ এই সিদ্ধান্তকে ভারত ও বাংলাদেশের নির্বাচনের সঙ্গে জড়িয়েছেন। তাঁর মতে, “এই সিদ্ধান্ত বর্ডারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তকে মাথায় রেখেই নেওয়া হচ্ছে।” আবার অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে টি-টোয়েন্টির সিরিজের আগে প্রেস কনফারেন্সে পাক অধিনায়ক সলমন আলি আঘা বলেছেন, “আমরা যেতে চাই। অবশ্যই খেলতে চাই। কিন্তু বোর্ড যা সিদ্ধান্ত নেবে, আমরা তাই পালন করতে বাধ্য। ”

বিশ্বকাপে ভারত-পাক মুখোমুখি হতে এখনও বাকি প্রায় দুই সপ্তাহ। তার আগেই সরগরম ওয়াঘা দুই পার। বল এখন আইসিসির কোর্টে। তাদের সিদ্ধান্তের দিকে নজর ক্রিকেটবিশ্বের ।