AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট, সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব আফ্রিদি!

আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হওয়ার কথা এই দুই দেশের। যদিও পাকিস্তান জানিয়েছে, তারা ভারত ম্যাচ বয়কট করেছে। গ্ৰুপ লিগের বাকি ম্যাচগুলি খেললেও এই ম্যাচ খেলতে অনীহা তাদের। পাকিস্তান সরকারের এই সিদ্ধান্তে নিরাশ প্রাক্তন পাক অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি।

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট, সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব আফ্রিদি!
Image Credit: AFP
| Edited By: | Updated on: Feb 02, 2026 | 6:07 PM
Share

কলকাতা : প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তিনি ছিলেন “প্লেয়ার অফ দা টুর্নামেন্ট”। প্রায় দু’দশক পরে নিজের দেশের সিদ্ধান্তেই “অনুতপ্ত” শাহিদ আফ্রিদি। রবিবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ঘোষণা করেছে, তারা বিশ্বকাপ খেললেও ভারতের বিরুদ্ধে কোন ম্যাচ খেলবে না। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে ক্রিকেটমহলে। অনেকেই এই সিদ্ধান্তে “সিঁদুরে মেঘ” দেখতে পাচ্ছেন। কারও কারও মতে, এটি স্রেফ রাজনৈতিক চাল।

আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হওয়ার কথা এই দুই দেশের। যদিও পাকিস্তান জানিয়েছে, তারা ভারত ম্যাচ বয়কট করেছে। গ্ৰুপ লিগের বাকি ম্যাচগুলি খেললেও এই ম্যাচ খেলতে অনীহা তাদের। যার ফলেই ক্রিকেটমোদীদের রোষানলে সলমন আলি আঘারা। এই ম্যাচ নিয়ে প্রবল উন্মাদনা রয়েছে সমর্থকদের মধ্যে। তার আগে শেষ সাক্ষাতে অর্থাৎ এশিয়া কাপে প্রতি ম্যাচেই পাকিস্তানকে দুরমুশ করেছেন বরুণ চক্রবর্তীরা। বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ খেলতে না চাওয়ায় পাকিস্তানকে কটাক্ষও করছেন অনেকে। এই ম্যাচ না হলে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে আইসিসি এবং পাক বোর্ড।

এই ঘোষণার পরেই বিবৃতি দেয় আইসিসি। তাদের মতে, জাতীয় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকাকে তারা সমর্থন করে। কিন্তু পাকিস্তান সরকারের এই সিদ্ধান্ত ক্রিকেটের জন্য ভালো বিজ্ঞাপন নয়। তাদের আশা, পাক বোর্ড নিজেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে।

এর মধ্যেই পাকিস্তান সরকারের এই সিদ্ধান্তে নিরাশ প্রাক্তন পাক অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “আমি সর্বদা বিশ্বাস করি, রাজনীতির জন্য কোনও দরজা বন্ধ হলে ক্রিকেট দিয়ে সেটা খোলা সম্ভব। যদিও আমার দেশের সরকারের এই সিদ্ধান্ত আমি সমর্থন করি। কিন্তু আমি চাই, আইসিসি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই সমস্যার সমাধান করুক।”

প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগেই এজবাস্টনে অনুষ্ঠিত “লেজেন্ড ক্রিকেট টুর্নামেন্ট”এ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামতে অস্বীকার করে শিখর ধাওয়ানের নেতৃত্বাধীন ভারত। যার পর থেকেই যাবতীয় ভারত-পাক দ্বন্দ্বের শুরু। এই নিয়েও কম জলঘোলা হয়নি ক্রিকেট দুনিয়ায়। তার মধ্যেই আফ্রিদির এই মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি করছে ভক্তদের মধ্যে।