AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bishnupur District Hospital Inspection: মুখ্যমন্ত্রী কড়া বার্তার পরেই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, তড়িঘড়ি হাসপাতালে ছুটলেন জেলা শাসক

Bishnupur District Hospital: চিকিৎসার ব্যপারে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালের উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল বিষ্ণুপুর মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ। এছাড়াও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সীমানাবর্তী একটা বড় অংশের মানুষ প্রতিদিন চিকিৎসা পরিষেবা নিতে ছুটে আসেন এই হাসপাতালে।

Bishnupur District Hospital Inspection: মুখ্যমন্ত্রী কড়া বার্তার পরেই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, তড়িঘড়ি হাসপাতালে ছুটলেন জেলা শাসক
তড়়িঘড়ি অ্যাকশন Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: May 22, 2026 | 7:09 PM
Share

বাঁকুড়া: বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালের বেহাল ছবি তুলে ধরেছিলেন স্থানীয় বিধায়ক। অভিযোগ শুনেই বাঁকুড়ার জেলা শাসককে দ্রুত হাসপাতাল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নির্দেশ মিলতেই এদিন দুপুরে  স্থানীয় বিধায়ক ও স্বাস্থ্য কর্তাদের সঙ্গে নিয়ে হাসপাতাল পরিদর্শন করতে ছুটলেন বাঁকুড়ার জেলা শাসক। সরেজমিনে হাসপাতালের চূড়ান্ত অব্যবস্থা খতিয়ে দেখে বেজায় ক্ষুব্ধ বাঁকুড়া জেলা প্রশাসনের কর্তারা। সেখানে যত্রতত্র আবর্জনার স্তুপ, পরিকাঠামোর চূড়ান্ত ঘাটতি ও ব্লাড ব্যঙ্কে রক্তের জন্য হাহাকার  দেখে ও নিয়োগ দূর্নীতির অভিযোগ পেয়ে ক্ষোভ চেপে রাখতে স্থানীয় বিধায়ক। 

চিকিৎসার ব্যপারে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালের উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল বিষ্ণুপুর মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ। এছাড়াও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সীমানাবর্তী একটা বড় অংশের মানুষ প্রতিদিন চিকিৎসা পরিষেবা নিতে ছুটে আসেন এই হাসপাতালে। সেই হাসপাতালেই চিকিৎসা পরিষেবা নিতে এসে এতদিন ধরে চূড়ান্ত নাকাল হতে হচ্ছিল সাধারণ মানুষকে। রাজ্যে পালাবদলের পর সরকারের শীর্ষ স্তরের নির্দেশে এদিন সেই হাসপাতাল পতিদর্শনে ছুটে যান বাঁকুড়ার জেলা শাসক অনিশ দাশগুপ্ত ও বিষ্ণুপুরের নব নির্বাচিত বিধায়ক শুক্লা চট্টোপাধ্যায়-সহ স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা। ঘোরেন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে। 

প্রতিটা ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা রোগী ও রোগীর পরিজনদের সঙ্গে কথাও বলেন তাঁরা। পরিদর্শনের সময় তাঁদের নজরে পড়ে হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা আবর্জনার স্তুপ। হাসপাতালের সর্বত্র বৈদ্যুতিক পাখা না থাকায় প্রবল গরমে রোগীদের বেহাল অবস্থাও দেখতে পান। মজুত রক্ত না থাকায় হাসপাতালের ব্লাডব্যঙ্কে রোগী ও রোগীর পরিজনদের হাহাকারও নজরে আসে জেলা শাসক, বিধায়ক ও স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকদের। এছাড়াও হাসপাতালের সাফাই এর কাজে যুক্ত ঠিকা সংস্থার কর্মীদের নিয়োগে বেনিয়ম ও অন্যান্য সমস্যা এবং চিকিৎসক সহ চিকিৎসা কর্মীদের দুর্ব্যবহার নিয়েও বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ উঠে আসে আধিকারিকদের কাছে। সব মিলিয়ে বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হাসপাতালের এই অব্যবস্থায় বেজায় ক্ষুব্ধ জেলা শাসক থেকে শুরু করে স্থানীয় বিধায়ক। এই অব্যস্থার দায় পূর্ববর্তী সরকারের বলেই দাবি বিষ্ণুপুরের বিজেপি বিধায়কের। হাসপাতালের হাল ফেরাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। 

Follow Us