AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Balurghat: ফাঁকা বাড়ি, ঠাকুরঘরে ছিল শুধু লক্ষ্মী-গণেশ, ফিরে এসে সুমিত ও তার পরিবার যা দেখলেন অবিশ্বাস্য

Balurghat: পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির মালিক ব্যবসায়ী সুমিত রায়। কয়েক দিন আগে তাঁর স্ত্রী রুবি দাস রায় শাশুড়িকে আনতে কলকাতায় গিয়েছিলেন। অন্যদিকে কাজের সূত্রে সুমিতবাবুও বাড়ির বাইরে ছিলেন। ফলে বেশ কিছুদিন বাড়িটি ফাঁকা ছিল। সেই সুযোগকেই কাজে লাগায় চোরেরা। রাতে আশেপাশের তিন থেকে চারটি বাড়ির গেট বাইরে থেকে বন্ধ করে নির্বিঘ্নে চুরির কাজ চালানো হয়।

Balurghat: ফাঁকা বাড়ি, ঠাকুরঘরে ছিল শুধু লক্ষ্মী-গণেশ, ফিরে এসে সুমিত ও তার পরিবার যা দেখলেন অবিশ্বাস্য
এই বাড়িতেই যত কাণ্ডImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 03, 2026 | 7:29 PM
Share

বালুরঘাট: বাড়ি বালুরঘাটে। তবে এসেছিলেন কলকাতায় কোনও কাজে। কিছু টাকা পয়সা আর বাড়ির ভিতরে রূপোর লক্ষ্মী-গণেশের দু’টি মূর্তি ছাড়া আর কিছু ছিল না তেমন একটা। তবে বাড়ি ফিরতেই মাথায় হাত। শুধু মাথায় হাত নয়, চোখ কপালে ওঠার জোগাড় বাড়ির মালিকের। কারণ, গোটা ঘর লন্ডভন্ড হয়ে রয়েছে। চুরি হয়ে গিয়েছে সব কিছু।

বালুরঘাট শহরে আবারও চুরির ঘটনা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে এবার চোরেরা একেবারে নতুন কৌশল অবলম্বন করেছে। চুরির সময় যাতে আশেপাশের কেউ বাধা দিতে না পারে, সে জন্য আগে থেকেই প্রতিবেশীদের বাড়ির দরজা বাইরে থেকে আটকে দেয় দুষ্কৃতীরা। এরপর ফাঁকা বাড়ির সুযোগ নিয়ে গভীর রাতে দরজার তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে চোরের দল। বাড়ির ভিতরে ঢুকেই একপ্রকার তাণ্ডব চালানো হয়। আলমারি ভেঙে প্রায় ১২ হাজার টাকা নগদ, তিন ভরি সোনার গয়না ও রুপার দুটি মূর্তি লুট করে পালায় তারা। সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রতিবেশীরা বাইরে বেরতে না পেরে বিষয়টি আঁচ করেন। পরে অন্য বাড়ির লোক এসে গেট খুলে দিলে পাশের বাড়িতে চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পদ্মপুকুর এলাকায়। পরে বাড়ির মালিক বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির মালিক ব্যবসায়ী সুমিত রায়। কয়েক দিন আগে তাঁর স্ত্রী রুবি দাস রায় শাশুড়িকে আনতে কলকাতায় গিয়েছিলেন। অন্যদিকে কাজের সূত্রে সুমিতবাবুও বাড়ির বাইরে ছিলেন। ফলে বেশ কিছুদিন বাড়িটি ফাঁকা ছিল। সেই সুযোগকেই কাজে লাগায় চোরেরা। রাতে আশেপাশের তিন থেকে চারটি বাড়ির গেট বাইরে থেকে বন্ধ করে নির্বিঘ্নে চুরির কাজ চালানো হয়। বাড়ির দুটি ঘর সম্পূর্ণ তছনছ করে সোনার গয়না ও নগদ টাকা লুটের পর রুপার মূর্তিও নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। চুরি যাওয়া জিনিসের আনুমানিক মূল্য ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা বলে জানা গেছে। ঘটনার খবর ছড়াতেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। খবর পেয়ে বালুরঘাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। আশেপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি চোরদের খোঁজে তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে দুষ্কৃতীদের কাউকেই ধরা যায়নি।