AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Purbo Medinipur: বুকের ওপর জীর্ণ দলিল! ভার সইতে পারলেন না তিয়াত্তরের মৃত্য়ুঞ্জয়, মর্মান্তিক ঘটনা

Purbo Medinipur: ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম না থাকার কারণে তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন। গত ৪ জানুয়ারি শহিদ মাতঙ্গিনী বিডিও অফিসে শুনানিতে ডাক পান, যান ও শুনানিতে। ঘটনার সূত্রপাত গত ৪ জানুয়ারি। শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লক অফিসে শুনানির দিন মৃত্যুঞ্জয়বাবু ১৯৭১ সালের একটি দলিল পেশ করেছিলেন নিজের অস্তিত্বের প্রমাণ হিসেবে।

Purbo Medinipur: বুকের ওপর জীর্ণ দলিল! ভার সইতে পারলেন না তিয়াত্তরের মৃত্য়ুঞ্জয়, মর্মান্তিক ঘটনা
এলাকায় আতঙ্কImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 13, 2026 | 12:45 PM
Share

পূর্ব মেদিনীপুর: একটি জীর্ণ দলিল আর এক বুক আতঙ্ক এই দুইয়ের টানাপড়েনে শেষ পর্যন্ত হার মানলেন বছর তিয়াত্তরের  মৃত্যুঞ্জয় সরকার। ২০০২ সালের সংশোধিত ভোটার তালিকায় নাম না থাকার জন্য এই বৃদ্ধকে দাঁড়াতে হয়েছিল এসআইআর-এর কাঠগড়ায়। কিন্তু সেই শুনানির দুশ্চিন্তাই তাঁর কাল হল। সোমবার সকালে তাম্রলিপ্ত সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ছেলে মন্টু সরকার জানান, SIR আতঙ্কেই বাবার মৃত্যু হয়েছে।

২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম না থাকার কারণে তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন। গত ৪ জানুয়ারি শহিদ মাতঙ্গিনী বিডিও অফিসে শুনানিতে ডাক পান, যান ও শুনানিতে। ঘটনার সূত্রপাত গত ৪ জানুয়ারি। শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লক অফিসে শুনানির দিন মৃত্যুঞ্জয়বাবু ১৯৭১ সালের একটি দলিল পেশ করেছিলেন নিজের অস্তিত্বের প্রমাণ হিসেবে। কিন্তু সেই নথির গ্রহণ যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই আশঙ্কার মেঘ ঘনিয়ে আসে তাঁর মনে।

ছেলে মন্টু সরকার বলেন, ‘ওই দলিলটি গৃহীত না হওয়ায় বাবা মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন। নিজের দেশেই কি তবে তিনি পরবাসী হয়ে যাবেন? এই চিন্তাই তাঁকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিল।’ রবিবার রাতে তীব্র বুকে যন্ত্রণা শুরু হলে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, কিন্তু দুশ্চিন্তার বোঝা নামানোর আগেই থেমে যায় তাঁর হৃদস্পন্দন। এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তপ্ত হয়ে উঠেছে এলাকার রাজনৈতিক পরিবেশ।

তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের চাপিয়ে দেওয়া আমলাতান্ত্রিক জটিলতাই এই মৃত্যুর জন্য দায়ী। পাল্টা জবাবে বিজেপি নেতৃত্ব একে বার্ধক্যজনিত স্বাভাবিক মৃত্যু বলে দাবি করে পাল্টা তৃণমূল মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করছে বলে সুর চড়িয়েছেন।