AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Habra: টিসি দিতে ৩০০ টাকা! প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ থানায়

Habra School: এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। হাবরা পৌরসভার পৌরপ্রধান নারায়ণ চন্দ্র সাহা জানিয়েছেন, "টিসি দেওয়ার জন্য কোনও টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। যদি এমনটা ঘটে থাকে, তবে দলীয় স্তরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" অন্যদিকে কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি।

Habra: টিসি দিতে ৩০০ টাকা! প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ থানায়
শোরগোল স্কুলে Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 06, 2026 | 8:24 PM
Share

হাবরা: ছাত্রছাত্রীদের ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দেওয়ার বিনিময়ে মাথা পিছু ৩০০ টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠল হাবরা হিজলপুকুর এলাকার প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক ইন্দ্রনীল মিত্রর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষক আবার তৃণমূলের জেলা শিক্ষক সেলের সভাপতি পদেও রয়েছেন। স্বভাবতই এ ঘটনায় রাজনৈতিক মহলেও উত্তাপ বেড়েছে। অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে হাবরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা।   

চতুর্থ শ্রেণি পাস করার পর উচ্চতর শ্রেণিতে ভর্তির জন্য পড়ুয়াদের টিসি-র প্রয়োজন হয়। অভিভাবকদের দাবি, প্রধান শিক্ষক এই শংসাপত্র দেওয়ার জন্য প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর কাছে ৩০০ টাকা করে দাবি করেছেন। কোনও সরকারি রশিদ ছাড়াই এই টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। যাঁরা টাকা দিতে পারছেন না, তাঁদের টিসি আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ অভিভাবকরা। এর পাশাপাশি স্কুলের পঠন-পাঠন নিয়েও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, শিক্ষক-শিক্ষিকারা সময়মতো স্কুলে আসেন না এবং স্কুলের কোনো শৃঙ্খলা নেই। নথিতে ভুল ও বিভ্রান্তি অর্থিক দুর্নীতির পাশাপাশি নথিতেও একাধিক গরমিল ধরা পড়েছে। অভিযোগ, ২০২৬ সালে দেওয়া টিসিতে সাল লেখা রয়েছে ২০২৫। নাম ও তথ্যের এমন ভুল দেখে প্রধান শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকরা। তাঁদের বক্তব্য, এই ভুলের কারণে অন্য স্কুলে সন্তানদের ভর্তি করাতে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাঁদের। 

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। হাবরা পৌরসভার পৌরপ্রধান নারায়ণ চন্দ্র সাহা জানিয়েছেন, “টিসি দেওয়ার জন্য কোনও টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। যদি এমনটা ঘটে থাকে, তবে দলীয় স্তরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” অন্যদিকে কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা দেবজ্যোতি দাম বলেন, “তৃণমূল আর কয়েক মাস পরেই ক্ষমতাচ্যুত হবে জেনে এখন ৩০০ টাকাও সংগ্রহ করছে। তৃণমূল এই চুরিই শেখায়, আর ওদের শিক্ষক সেলের নেতা সেটাই করে দেখাচ্ছেন।” অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং মিথ্যা।