Hooghly: ছেলেধরা সন্দেহে বলাগড়ে সস্ত্রীক অধ্যাপক-সহ ৩ জনকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা! ২জনের যাবজ্জীবন, বাকি ২৩ জনের ৭ বছরের জেল
Hooghly: হুগলি জেলা গ্রামীণ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সরকার জানান, ২০১৭ সালের ২১শে জানুয়ারি বলাগড়ের আসানপুর গ্রামে কল্যাণীর এক অধ্যাপকের স্ত্রী, তাঁর মেয়ে ও তাঁদের গাড়ির চালককে নিয়ে পরিচারিকার খোঁজে যান। সেখানে তাদের ছেলে ধরা সন্দেহে মারধর করে স্থানীয় বাসিন্দারা। গাড়িতে আগুন দিয়ে পুরিয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগকে ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা।

হুগলি: বলাগড়ে ছেলে ধড়া সন্দেহে মারধর, পুড়িয়ে খুনের চেষ্টা, পুলিশের উপর আক্রমণ-সহ একাধিক অভিযোগে দোষী ২৫ জনের মধ্যে ২জনকে যাবজ্জীবন ও বাকি ২৩ জনের ৭ বছর সাজা ঘোষণা করল চুঁচুড়া আদালতের ফাস্ট ট্রাক কোর্ট। চুঁচুড়া আদালতের সরকারি আইনজীবী জানালেন, এই সাজা সমাজের কাছে একটি নতুন বার্তা দেবে। শুক্রবার কামারকুণ্ডুতে হুগলি গ্রামীণ পুলিশের এসপি অফিসে সাংবাদিক বৈঠক করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সরকার ও সরকারি আইনজীবী শঙ্কর গঙ্গোপাধ্যায়।
হুগলি জেলা গ্রামীণ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সরকার জানান, ২০১৭ সালের ২১শে জানুয়ারি বলাগড়ের আসানপুর গ্রামে কল্যাণীর এক অধ্যাপকের স্ত্রী, তাঁর মেয়ে ও তাঁদের গাড়ির চালককে নিয়ে পরিচারিকার খোঁজে যান। সেখানে তাদের ছেলে ধরা সন্দেহে মারধর করে স্থানীয় বাসিন্দারা। গাড়িতে আগুন দিয়ে পুরিয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগকে ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা। পুলিশ উদ্ধারে গেলে তারাও হামলার মুখে পড়ে। তিরবিদ্ধ হন এক সিভিক ভলেন্টিয়র। আহত হন ১১ জন পুলিশ কর্মী। ঘটনায় দ্রুততার সঙ্গে পুলিশ এফআইআর দাখিল করে তদন্ত শুরু করে। এবং ৯ বছরের মাথায় তাদের সাজা ঘোষণা করে করে রায় ঘোষণা করে আদালত।
মুখ্য সরকারি আইনজীবী শঙ্কর বলেন,আই পি সি ৩০৭, ৩৩৩,১৪৯,৩২৬,৪৩৫, সহ একাধিক ধারায় অভিযুক্ত গোপাল রায় ও পূর্ণিমা মালিককে যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা করেছেন বিচারক। বাকি ২৩ জন অভিযুক্তকে সাত বছর জেলের সাজা দিয়েছে আদালত। এই মামলায় ২৭জন সাক্ষী দেয়। সরকারি আইনজীবী আরও জানান, প্রশাসনের এটা একটা বিরাট জয়।
