AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Adhir Chowdhury campaign clash in Berhampore: ‘তৃণমূল যদি মনে করে রক্তারক্তি ছাড়া নির্বাচন হবে না, তাহলে…’ বহরমপুরে হুঙ্কার অধীরের

Adhir Chowdhury campaign disruption Berhampore TMC clash: এলাকার কাউন্সিলর বলছেন, “এটা তো আমাদের পাড়া। আমরা তো ভোটের সময় সকালে রোজই পাড়ায় বের হই। আজ হঠাৎ দেখছি বাইরে থেকে গুন্ডা বাহিনী নিয়ে ঢুকে পড়েছেন কংগ্রেসের প্রার্থী। উনি ভাবছেন ওনার বহরমপুরের হারিয়ে যাওয়া মাটি আবার ফিরে পাবেন!”

Adhir Chowdhury campaign clash in Berhampore: ‘তৃণমূল যদি মনে করে রক্তারক্তি ছাড়া নির্বাচন হবে না, তাহলে…’ বহরমপুরে হুঙ্কার অধীরের
কী বলছেন অধীর? Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Apr 04, 2026 | 11:18 AM
Share

বহরমপুর: বহরমপুরে অধীর চৌধুরীর প্রচারে বাধার অভিযোগ। ২১ নম্বর ওয়ার্ডে অধীরের ভোট প্রচারের সময় বাধা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। উঠতে থাকে জয় বাংলা স্লোগান। দুই শিবিরের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে রীতিমতো ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়। সূত্রের খবর, অধীর চৌধুরী যখন গাড়ি থেকে নেমে প্রচার শুরু করতে যান তখনই তাঁকে উদ্দেশ্য করে স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। অভিযোগ, ওই সময়েই কংগ্রেস কর্মীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তৃণমূলের কর্মীরা। শুধু কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের সঙ্গেই নয়, অধীরের নিরাপত্তা রক্ষীদের সঙ্গেও তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। 

নাম উঠে আসছে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণণূল কাউন্সিলরের। যদিও কিছু সময়ের মধ্যে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষীরাই অধীর চৌধুরীকে বের করে নিয়ে আসেন। যদিও এলাকার কাউন্সিলর বলছেন, “এটা তো আমাদের পাড়া। আমরা তো ভোটের সময় সকালে রোজই পাড়ায় বের হই। আজ হঠাৎ দেখছি বাইরে থেকে গুন্ডা বাহিনী নিয়ে ঢুকে পড়েছেন কংগ্রেসের প্রার্থী। উনি ভাবছেন ওনার বহরমপুরের হারিয়ে যাওয়া মাটি আবার ফিরে পাবেন! ভাবছেন হয়তো ওনার ভয়ের রাজনীতি, খুনের রাজনীতিকে আজও মানুষ ভয় পায়। কিন্তু এলাকার মানুষই আজ অধীর চৌধুরীকে গো ব্য়াক বলেছে।” অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অশুতোষ চট্টোপাধ্যায় বলছেন, “অধীর চৌধুরী ব্যাপক মার্জিনে বহরমপুরে জিততে চলেছে। সেই ভয়েই তৃণমূল কংগ্রেস এখন এসব করছে।”   

প্রসঙ্গত, একদিন আগেও তাঁর প্রটারে দেওয়া হয়েছিল গো ব্যাক স্লোগান। এরইমধ্যে আবার এদিন সকালের ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা এলাকার রাজনৈতিক মহলে। যদিও এ ঘটনাকে বিশেষ পাত্তা দিতে নারাজ অধীর। এই ঘটনার পর পুরোদমে প্রচার শুরু করে দেন ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে। তৃণমূলকে খানিক খোঁচা দিয়েই তিনি বলছেন, “হাতি চালে বাজার, কুত্তা ভোকে হাজার। কুকুরা তো চেঁচাবেই। তৃণমূল যদি মনে করে রক্তারক্তি ছাড়া নির্বাচন হবে না, তাহলে রক্তারক্তি হবে।”  

Follow Us