Lux Cozi in Dankuni: সিঙ্গুর থেকে ১০ কিলোমিটার আগে বিরাট শিল্প সম্ভাবনা, লাক্স কোজ়ির দ্বিতীয় ইউনিটের শিলান্যাস! ভোল বদলাচ্ছে ডানকুনির
Lux Cozi’s Second Unit in Dankuni: স্থানীয়দের আশা, কারখানা পুরোদমে চালু হলে যুবক-যুবতীদের চাকরির সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি ছোট ব্যবসা, পরিবহণ ও আনুষাঙ্গিক শিল্পেও জোয়ার আসবে। পুরনো কারখানাতে কাজ করেন মানসী ঘোষ। নতুন প্ল্যান্টের ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত তাঁরাও।

সিঙ্গুর: সিঙ্গুরে হয়নি টাটাদের কারখানা। সরকার বদলাতেই শিল্পের আশায় নতুন করে বুক বাঁধছেন সিঙ্গুরের অগণিত কৃষকরা। এবার সিঙ্গুর থেকে ১০ কিলোমিটার আগে শিল্প সম্ভাবনা। এদিন লাক্স কোজ়ির নতুন প্ল্যান্টের শিলান্যাস করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোজা কথায়, বদলের বাংলায় শিল্পের খরা কাটছে, ডানকুনিতে গড়ে উঠছে ২০ লক্ষ বর্গফুটের নতুন কারখানা। পুরনো ও নতুন ইউনিট মিলিয়ে প্রায় ২০ লক্ষ বর্গফুট এলাকা জুড়ে তৈরি হবে লাক্স কোজির দ্বিতীয় ইউনিট। এর ফলে এলাকায় কর্মসংস্থান বাড়বে বলেই আশা প্রশাসনের।
গত কয়েক বছরে রাজ্যে বড় শিল্পে ভাটা ছিল। বদলের বাংলায় সরকারের নয়া উদ্যোগে ডানকুনির এই প্রকল্পকে বড় ব্রেক-থ্রু হিসেবে দেখা হচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় ডানকুনি আগে থেকেই লজিস্টিক হাব হিসেবে পরিচিত। রয়েছে একাধিক ই-কমার্স সংস্থার বিশাল বিশাল হাব। এখন নতুন কারখানা চালু হলে হুগলি জেলার শিল্প মানচিত্রে নতুন করে গতি আসবে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।
আরও বড় হচ্ছে কারখানা
লাক্স ইন্ডাস্ট্রিজ়ের তরফে ডানকুনির প্রকল্পের জন্য ৬০০ কোটি টাকার অনুমোদনের খবর আগেই এসেছিল। কারখানার সম্প্রসারণের ফলে নতুন করে প্রায় ১২ লক্ষ বর্গফুট এলাকা যুক্ত হবে। পুরনো জায়গা মিলে নতুন আয়তন হতে চলেছে ২০ লক্ষ বর্গফুট।
স্থানীয়দের আশা, কারখানা পুরোদমে চালু হলে যুবক-যুবতীদের চাকরির সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি ছোট ব্যবসা, পরিবহণ ও আনুষাঙ্গিক শিল্পেও জোয়ার আসবে। পুরনো কারখানাতে কাজ করেন মানসী ঘোষ। নতুন প্ল্যান্টের ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত তাঁরাও। তিনি বলছেন, “নতুন প্ল্যান্ট হলে আরও কাজের সুযোগ বাড়বে। এলাকার লোকের অনেক উন্নতি হবে। গোটা রাজ্যের জন্যই এটা ভালো উদ্যোগ।”
জনাই থেকে ওই এলাকায় কাজে আসেন পীযূষ কান্তি ঢালি। সরকারের এই উদ্যোগে সাধুবাদ জানাচ্ছেন তিনিও। বলছেন, “নতুন সরকার শিল্পের দিকে আরও নজর দিক। আরও কারখানা হোক। বেকার যুবকরা আরও কাজ পাক। তবে বেতনের একটা নির্দিষ্ট রূপরেখা ঠিক করা হোক। তাই নতুন সরকারের কাছে আমাদের দাবি ন্যূনতম ২১ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হোক।”
