CPIM-Congress Alliance: ‘অধীরের সময় জোট হয়েছিল, শুভঙ্কর নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না’, ভেস্তে যাচ্ছে বাম-কংগ্রেস জোট?
CPIM-Congress: নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে সেলিম বলেন, “আমরা নির্বাচনের কাজ শুরু করে দিয়েছি। কংগ্রেসকে ঠিক করতে হবে যে তারা বিজেপির সঙ্গে যাবে তৃণমূলের সঙ্গে যাবে না বামেদের সঙ্গে। আমরা চাই বিজেপির তৃণমূল বিরোধী সবাই এক হোক।”

হুগলি: কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে জল ঢাললেন সেলিম? প্রদেশ কংগ্রেসে সভাপতির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকের। জোট নিয়ে কংগ্রেস সভাপতির সিদ্ধান্তহীনতা নিয়েও সরব হলেন। খানিক খোঁচা দিয়েই বললেন, শুভঙ্করের তৃণমূলের প্রতি বেশি দরদ। সেলিমের সাফ কথা, “আমি কাউকে ছাড়ছি না, কাউকে পায়েও ধরতে পারব না। কংগ্রেসকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বামফ্রন্ট দীর্ঘদিন অপেক্ষা করে থাকতে পারে না।” এদিকে সাধারণ রাজনৈতিক মঞ্চে যখন কারও সঙ্গে জোট হয় তখন সুমধুর সম্পর্ক থাকলেই জোট হয়। কিন্তু এখন সেলিম যে ভাষায় কথা বলছেন তা দেখেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই বলছেন, ভোটের মুখে কংগ্রেস-সিপিএমের সম্পর্ক তো ধীরে ধীরে অম্লমধুর হয়ে যাচ্ছে। তাহলে কী জোট সম্ভব?
সেলিম যদিও বলছেন, “অধীর চৌধুরী যখন কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন তখন বামফ্রন্টের সঙ্গে আসন সমঝোতা হয়েছিল। এখন যিনি সভাপতি হয়েছেন শুভঙ্কর বাবু তাঁর তৃণমূলের প্রতি একটু বেশি দরদ আছে মনে হয়। তিনি নিজে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। এআইসিসি কি বলবে তার জন্য অপেক্ষা করছেন।”
এরপরই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে সেলিম বলেন, “আমরা নির্বাচনের কাজ শুরু করে দিয়েছি। কংগ্রেসকে ঠিক করতে হবে যে তারা বিজেপির সঙ্গে যাবে তৃণমূলের সঙ্গে যাবে না বামেদের সঙ্গে। আমরা চাই বিজেপির তৃণমূল বিরোধী সবাই এক হোক।” এদিকে সূত্রের খবর, অধীর শিবির জোটের পক্ষে থাকলেও শুভঙ্কর শিবির একলা চলো নীতির পক্ষেই সওয়াল করছে। তা নিয়ে দলের অন্দরে চাপানউতোর চললেও অফিসিয়ালি কিছু জানা যায়নি। এখন সেলিম সে কথা মনে করিয়ে বলছেন, “শুভঙ্কর বাবু যদি না চান অধীর বাবু যদি চান তাহলে সেটা তাদের দলের ব্যাপার। আমরা বলেছি আগে অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে যে আমরা বিজেপি এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যেটা শুভঙ্করবাবু এখনও বুঝতে পারছেন না, ওজন করে দেখছেন তৃণমূলের সঙ্গে গেলে লাভ, নাকি বিজেপির সঙ্গে গেলে লাভ, নাকি বামের সঙ্গে গেলে লাভ। রাজনীতি এরকমভাবে হয় না।”
