AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Hooghly: বিয়ের মেহন্দি এখনও উঠেনি, থানায় ছুটলেন নববধূ, কারণ শুনলে চমকে যাবেন

Woman files FIR against husband: নববধূ রিচা সাহা বলেন, "২০২৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আমাদের রেজিস্ট্রি ম্যারেজ হয়। তারপর দেড় বছর কেটে গেলেও ঘরে তোলেনি স্বামী। তখন ডিভোর্সের মামলা করি। তারপর মিটমাট হয়। প্রথমে চাকরি করত না। চাকরি পাওয়ার পর বিয়ের কথা বলি। তখন ওদের পরিবার বলে, বড় ছেলের আগে বিয়ে হবে। দেড় বছর ঘরে তোলেনি। ডিভোর্সের কথা বলার পর সব মিটমাট করে আমাদের ১৫ ডিসেম্বর বিয়ে হয়।"

Hooghly: বিয়ের মেহন্দি এখনও উঠেনি, থানায় ছুটলেন নববধূ, কারণ শুনলে চমকে যাবেন
স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানালেন নববধূ
| Edited By: | Updated on: Jan 02, 2026 | 5:24 PM
Share

শ্রীরামপুর: সাত বছরের প্রেম। ১৮ দিন আগে ধুমধাম করে বিয়ে। হাতের মেহন্দি এখনও উঠেনি। তার আগেই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে থানায় ছুটলেন নববধূ। হুগলির শ্রীরামপুর পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের গড়গড়ি ঘাট এলাকার ঘটনা। কিন্তু, প্রেম করে বিয়ের ১৮ দিনের মাথায় স্বামী বিরুদ্ধে কেন থানায় গেলেন ওই নববধূ?

ওই নববধূর নাম রিচা সাহা। শ্রীরামপুর পৌরসভায় বাড়ি। এলাকারই এক যুবকের সঙ্গে কয়েক বছরের প্রেম। তাঁদের প্রেমের প্রথম চার বছর ওই যুবক বেকার ছিলেন। ফলে বিয়ের কথাবার্তা হয়নি। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ওই যুবক অসম রাইফেলসে চাকরি পেতেই বিয়ের কথা বলে মেয়ের পরিবার। অভিযোগ, তখন বিয়ে করতে চাননি ওই যুবক। অবশেষে ২০২৪ সালে রেজিস্ট্রি হয় তাঁদের। আর রেজিস্ট্রির দেড় বছরেরও বেশি পরে ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর বিয়ে করেন তাঁরা।

বিয়ের পর থেকেই শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার শুরু হয় বলে অভিযোগ তরুণীর। শাশুড়ির কথা শুনে স্বামী বেধড়ক মারধর করেন তাঁকে। কোনও কারণ ছাড়াই গায়ে হাত তোলা হয় বলে অভিযোগ নববধূর। শুক্রবার সকালেও ঠিক একই ঘটনা ঘটে। আবারও মারধর করা হয় তরুণীকে। অবশেষে তরুণী বাড়ির লোককে নিয়ে হাজির হন শ্রীরামপুর মহিলা থানায়। অভিযোগ দায়ের করে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকদের বিরুদ্ধে।

নববধূ রিচা সাহা বলেন, “২০২৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আমাদের রেজিস্ট্রি ম্যারেজ হয়। তারপর দেড় বছর কেটে গেলেও ঘরে তোলেনি স্বামী। তখন ডিভোর্সের মামলা করি। তারপর মিটমাট হয়। প্রথমে চাকরি করত না। চাকরি পাওয়ার পর বিয়ের কথা বলি। তখন ওদের পরিবার বলে, বড় ছেলের আগে বিয়ে হবে। দেড় বছর ঘরে তোলেনি। ডিভোর্সের কথা বলার পর সব মিটমাট করে আমাদের ১৫ ডিসেম্বর বিয়ে হয়। বিয়ের দিন থেকেই মারধর শুরু করে। চুপচাপ থাকলেও মারে। কথা বললে মারছে।”

বিয়ের ১৮ দিনের মাথায় কেন জামাই এমন করছেন, বুঝতে পারছেন না রিচার বাবাও। মেয়ের সঙ্গে থানায় আসেন তিনি। বলেন, “ওদের প্রেম করে বিয়ে। জামাই কেন এমন করছে জানি না।”