AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Howrah: রাতের অন্ধকারে অফিসের ভিতরে এ কী কাণ্ড! ১৫ মহিলা সহ ৫৪ জনকে বের করল পুলিশ

Howrah: সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ওই কোম্পানিতে দিনের চেয়ে রাতেই বেশি কাজ হত। ওই কোম্পানির যারা কর্মী ছিল, তাদের নেট মেট টেকনোলজি নামে একটি কোম্পানির অধীনে কাজ করানো হত।

Howrah: রাতের অন্ধকারে অফিসের ভিতরে এ কী কাণ্ড! ১৫ মহিলা সহ ৫৪ জনকে বের করল পুলিশ
হাওড়ার কল সেন্টার
| Edited By: | Updated on: Nov 26, 2022 | 3:28 PM
Share

হাওড়া: ডোমজুড়ে এক কল সেন্টারে হানা দিয়ে ১৫ জন মহিলা সহ ৫৪ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে। ডোমজুড়ের অঙ্কুরহাটি এলাকায় গজিয়ে ওঠা ওই কল সেন্টারের (Call Center) আড়ালে প্রতারণা চক্রের ফাঁদ পাতা হয়েছিল। গোপন সূত্র মারফত পুলিশের কাছে আগে থেকেই সেই খবর ছিল। সেই মতো শুক্রবার গভীর রাতে ওই এলাকায় হানা দেন হাওড়া সিটি পুলিশের (Howrah City Police) গোয়েন্দারা। তাতেই পাকড়াও করা হয় ৫৪ জনকে। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রায় দেড় বছর ধরে ডোমজুড়ের অঙ্কুরহাটিতে ওয়েবল আইটি পার্কে ঘরভাড়া নিয়ে একটি কল সেন্টার চালানো হচ্ছিল। ওয়াইশটিন সফ্টওয়্যার সলিউশন প্রাইভেট লিমিটেড নামে চালানো হচ্ছিল ওই কল সেন্টারটি।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ওই কোম্পানিতে দিনের চেয়ে রাতেই বেশি কাজ হত। ওই কোম্পানির যারা কর্মী ছিল, তাদের নেট মেট টেকনোলজি নামে একটি কোম্পানির অধীনে কাজ করানো হত। কর্মীদেরও পরিচয়পত্র ওই নামেই ইস্যু করা হয়েছিল। হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই এই কল সেন্টারের ওপর নজরদারি চালাচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার গভীর রাতে হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দারা ওই কল সেন্টারে হানা দেনে। হাতেনাতে ধরা পড়ে ৫৪ জন। বাজেয়াপ্ত করা হয় ৫০টি কম্পিউটার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি।

পুলিশ সূত্রে খবর, বিভিন্ন অনলাইন কেনাকাটির সংস্থার বিল বাকি আছে, এই বলে সাধারণ ক্রেতাদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলা হত। এর পাশাপাশি, বিভিন্ন ব্যাঙ্কে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নাম দিয়েও চলত প্রতারণার কারবার। অনেকসময় আবার বিভিন্ন ধরনের টোপ গ্রাহকদের এটিএম কার্ডের যাবতীয় তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হত বলেও অভিযোগ রয়েছে। এরপর সেই লোক ঠকানো কারবারের টাকা দেশ বিদেশের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে দেওয়া হত। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, বেশিরভাগ টাকা পাঠানো হয়েছে আমেরিকায়। ধৃতদের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের আওতায় প্রতারণা এবং বেআইনিভাবে কল সেন্টার চালানোর অভিযোগে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।