AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Madhyamik Exam: টোটো আর পৌঁছাল না সেন্টারে, পরীক্ষার আগেই বিপাকে দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী

Madhyamik Examination: হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, অনন্যা তালুকদারকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ফলে সে চালসা গয়ানাথ বিদ্যাপীঠে গিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু মৃত্তিকা মজুমদারের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়। কিন্তু তার ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে হাসপাতালেই তার পরীক্ষা দেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়।

Madhyamik Exam: টোটো আর পৌঁছাল না সেন্টারে, পরীক্ষার আগেই বিপাকে দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী
ঠিক কী ঘটেছিল?Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 04, 2026 | 1:29 PM
Share

মাটিয়ালি: মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় বিপত্তি। শেষে হাসপাতালে বসেই পরীক্ষা দিতে হল পড়ুয়াকে। ঘটনা ধূপগুড়ির চালসায়। মঙ্গলবার চালসা-মেটেলি রাজ্য সড়কের চালসা রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। মেটেলি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী অনন্যা তালুকদার ও মৃত্তিকা মজুমদার তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে টোটোতে করে মেটেলি থেকে চালসা গয়ানাথ বিদ্যাপীঠে তাদের পরীক্ষা কেন্দ্রে যাচ্ছিল। কিন্তু চালসা রেল গেটের কাছে পৌঁছাতেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে টোটোটি। 

শুধু দুই পরীক্ষার্থী নয়, টোটোতে থাকা সকলেই জখম হন। তবে অনন্যার থেকে মৃত্তিকার চোট গুরুতর ছিল। স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে উদ্ধারকাজে হাত লাগান। দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে চালসার মঙ্গলবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ততক্ষণে খবর চলে গিয়েছে পুলিশের কাছে। খবর পেয়ে হাসপাতালে চলে আসে মেটেলি থানার পুলিশ। অন্যদিকে মাধ্যমিক পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা কর্তব্যরত আধিকারিকরাও হাসপাতালে ছুটে আসেন। ছুটে আসেন আহতদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও। 

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, অনন্যা তালুকদারকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ফলে সে চালসা গয়ানাথ বিদ্যাপীঠে গিয়ে পরীক্ষায় সে পরীক্ষায় বসে। কিন্তু মৃত্তিকা মজুমদারের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়। চলতে থাকে চিকিৎসা। কিন্তু তার ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে হাসপাতালেই তার পরীক্ষা দেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। মেটেলির বিদ্যালয় পরিদর্শক বিজয় চন্দ্র রায় বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের নির্দেশ মেনেই আমরা হাসপাতালেই পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছি। অন্যদিকে পর্ষদের উদ্যোগে খুশি অভিভাবকরাও। তাঁদের পরীক্ষা আয়োজনেক দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মকর্তাদের ধন্য়বাদ জানাচ্ছেন।