AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Malda: ৬ সন্তানের বাবাকে বিয়ে ২০ বছরের তরুণীর! এখানেই শেষ নয়, পরের ঘটনায় আরও নাটকীয় বাঁক

Malda Marriage: রুবিনার পরিবার হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে। কিন্তু রুবিনা সাবালিকা হওয়ায় এবং নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করার কথা জানানোয় পুলিশ তাঁকে পুনরায় শ্বশুরবাড়িতে রেখে আসে। অভিযোগ, এর পরপরই ক্ষোভের বশে আশরাফুল ও তার পরিবার স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রুবিনার বাপের বাড়িতে চড়াও হয়।

Malda: ৬ সন্তানের বাবাকে বিয়ে ২০ বছরের তরুণীর! এখানেই শেষ নয়, পরের ঘটনায় আরও নাটকীয় বাঁক
ইনসেটে আশরাফুল হকImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 31, 2026 | 4:13 PM
Share

মালদহ: স্ত্রী ও ছয় সন্তানের পিতাকে বিয়ে কুড়ির তরুণীর! তা নিয়ে তুলকালামকাণ্ড। তরুণীর বৌদিকে বিবস্ত্র করে মারধরের অভিযোগ। উত্তপ্ত রাজনীতি মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের রাঙ্গাইপুর গ্রামে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ত্রী ও ছয় সন্তানের বাবা আশরাফুল হকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পরিবারের অমতে বিয়ে করেন ২০ বছরের তরুণী রুবিনা খাতুন। 

 রুবিনার পরিবার হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে। কিন্তু রুবিনা সাবালিকা হওয়ায় এবং নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করার কথা জানানোয় পুলিশ তাঁকে পুনরায় শ্বশুরবাড়িতে রেখে আসে। অভিযোগ, এর পরপরই ক্ষোভের বশে আশরাফুল ও তার পরিবার স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রুবিনার বাপের বাড়িতে চড়াও হয়। সেখানে তরুণীর দাদা ও বৌদিকে ব্যাপক মারধর করা হয় এবং পরিবারের মহিলাদের বিবস্ত্র করে অত্যাচারের বিস্ফোরক অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় জখম হয়ে রুবিনার পরিবারের দু’জন বর্তমানে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

অন্যদিকে আশরাফুলের পরিবারের পাল্টা দাবি, রুবিনার বাপের বাড়ির লোকজনেরাই প্রথম তাঁদের ওপর হামলা ও মারধর চালিয়েছে। দুই পক্ষই হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। উত্তেজনা সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ পৌঁছয় এবং ঘটনার তদন্তে কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি। উত্তর মালদা জেলা যুব মোর্চা সহ সভাপতি মনোজ দাস বলেন, “এখনও আইনের শাসন রয়েছে। তৃণমূলের কর্মীরা যদি তা ভুলে যায়, তবে পুলিশ প্রশাসন তা মনে করিয়ে দেবে।”

অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। মমতা তৃণমূলপন্থী পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা কিষাণ সেল ব্লক সভাপতি স্বপন আলি বলেন, “এটি সম্পূর্ণ পারিবারিক বিবাদ। পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।”

Follow Us