AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Madhyamik Exam: পড়ে রইল ভাঙাচোরা বাইক, দুই বন্ধুর মধ্যে একজন কোনওমতে মাধ্যমিক দিলেও, আর একজনের দেওয়া হল না

Malda News: আহত দুই পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজনের নাম রাজেশ খান অন্যজন রাশিদ খান। তারা দু’জনেই নুরপুর হাইস্কুলের ছাত্র। সিট পড়েছিল মালদহের মানিকচকের মথুরাপুর বিএসএস হাইস্কুলে। বাইকে চেপে দু’জনেই পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিল মথুরাপুরে।

Madhyamik Exam: পড়ে রইল ভাঙাচোরা বাইক, দুই বন্ধুর মধ্যে একজন কোনওমতে মাধ্যমিক দিলেও, আর একজনের দেওয়া হল না
কী বলছেন পরিবারের সদস্যরা? Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 10, 2026 | 5:23 PM
Share

মালদহ: মাধ্যমিকের শুরু থেকেই একের পর একের পর এক দুর্ঘটনার খবর এসেছে রাজ্য়ের নানা প্রান্ত থেকে। এই তো ক’দিন আগে হাওড়ার জগৎবল্লভপুরে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে মৃত্যুও হয় একজনের। এরইমধ্যে ফের দুর্ঘটনার খবর আসছে মালদহ থেকে। আহত দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের মানিকচক থানার খয়েরতলা এলাকায়। 

আহত দুই পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজনের নাম রাজেশ খান অন্যজন রাশিদ খান। তারা দু’জনেই নুরপুর হাইস্কুলের ছাত্র। সিট পড়েছিল মালদহের মানিকচকের মথুরাপুর বিএসএস হাইস্কুলে। বাইকে চেপে দু’জনেই পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিল মথুরাপুরে। ঠিক সেই সময়েই খয়ের তলা এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি ডাম্পারের পিছনে নিয়ন্ত্রণ বারিয়ে ধাক্কা মারে তাদের বাইক। মুহূর্তেই বাইক থেকে ছিটকে পড়ে দু’জনে। স্থানীয় বাসিন্দারাই তাঁদের উদ্ধার করে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান।  

এর মধ্যে রাশিদ খানের অবস্থা তুলনামূলকভাবে ভাল হলেও রাজেশ খানের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে। সে কারণেই তাকে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই চলছে চিকিৎসা।  রাশিদ খানের এক আত্মীয় বলছেন, “গাড়িটা খুবই জোরে চালাচ্ছিল বলে শুনেছি। রাস্তাতেই ডাম্পারের পিছনে ঢুকে যায়। রাশিদ তো মাথা ফেটে গিয়েছে। রাজেশকে মালদহ মেডিক্যালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের মনে হয় বাইক যদি জোরে না চালাতো তাহলে এমনটা হতো না।” আত্মীয়রা এ কথা বললেও নাবালিকদের হাতে বাইক কী করে এল সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এদিকে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় এবার আর পরীক্ষা দেওয়া হয়নি রাজেশের। অন্যদিকে হাসপাতাল থেকেই পরীক্ষা দেয় রাশিদ।