Farakka Update: মুর্শিদাবাদে বিডিও অফিস ভাঙচুর,অথচ বিডিও বললেন, ‘আমি পাশের রুমে ছিলাম’
Murshidabad: যদিও, যাঁর নেতৃত্বে হামলা তাঁর নামই নেই এফআইআর-এ। অভিযোগ, অজ্ঞাত পরিচয়দের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। আর তারপরই একের পর এক প্রশ্ন উঠছে। যার নেতৃত্বে এই ঘটনা ঘটল তাঁর নামের বিরুদ্ধে কেন কোনও এফআইআর নেই? কেন বিডিও এই নিয়ে কোনও মুখ খুললেন না?

মুর্শিদাবাদ: ফরাক্কায় বিডিও অফিসে ভাঙচুর। খবর পৌঁছল নির্বাচন কমিশনের অফিসে। তারপরই কমিশনের নির্দেশে এফআইআর। জানা যাচ্ছে, বিডিও-র অভিযোগের ভিত্তিতে ফরাক্কা থানায় এফআইআর করা হয়েছে। যদিও, যাঁর নেতৃত্বে হামলা তাঁর নামই নেই এফআইআর-এ। অভিযোগ, অজ্ঞাত পরিচয়দের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। আর তারপরই একের পর এক প্রশ্ন উঠছে। যার নেতৃত্বে এই ঘটনা ঘটল তাঁর নামের বিরুদ্ধে কেন কোনও এফআইআর নেই? কেন বিডিও এই নিয়ে কোনও মুখ খুললেন না?
বুধবার SIR-এর পর দেখা যায় প্রথমে কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে নিয়ে বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন মণিরুল। এর খানিক বাদে তিনি ও তাঁর দলবল পৌঁছে যান বিডিও অফিসের ভিতরে। তারপর সরকারি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তাঁদের বিরুদ্ধে। এরপর সাধারণ মানুষজনদের বেরিয়ে যেতে বলেন অভিযুক্তরা। তারপরই চেয়ার ভাঙচুর করে।
এই ঘটনার পরের দিন তদন্ত শুরু হতেই বিডিও জুনায়েদ আহমেদ বলেন, “যখন ঘটনা ঘটে অন্য রুমে ছিলাম। অভিযোগ করা হয়েছে। যা হওয়ার সেটা হবে।” অথচ যে সময় এত বড় কাণ্ড ঘটছে সেই সময় তিনি কোনও রকম আওয়াজ পেলেন না? তার অফিস চত্বরে সর্বত্র রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। তাহলে তিনি কেন দেখতে পেলেন না উঠছে প্রশ্ন। গতকালই মণিরুল বলেন, “হিন্দু ভাইরা আমায় বলছে, রামের নাম শুনলে বলছে আপনার কিছু লাগবে না, আর রহিমের নাম শুনলে তখন চোদ্দ গুষ্ঠির খতিয়ান চাই। এই দ্বিচারিতা চলবে না। আমরা সকলে এই দেশকে স্বাধীন করেছি। যদি ফরাক্কার মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে গুলি খেতে হয় এই মণিরুল ইসলাম গুলি খাবেন প্রথমে।”
