Supreme Court On IPAC: ২০ কোটির হিসেব নিতেই গিয়েছিল ED, জোর করে ঢুকে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী: ED
IPAC Hearing:এখানে উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার তৃণমূলের ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালান ইডির আধিকারিকরা। পাশাপাশি ওই সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতেও চলে তল্লাশি। খবর পাওয়া মাত্রই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বাড়ি যান।

নয়া দিল্লি: I-PAC এর ইডি-র মামলায় সুপ্রিম কোর্টে শুরু হয়েছে শুনানি। সওয়াল-জবাব পর্ব চলছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির এজলাসে। শুরুতেই সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা বিচারপতিদের বিবরণ দিতে শুরু করেন সেদিন (গত বৃহস্পতিবার ৮ জানুয়ারি) ইডি কীসের তদন্ত করতে গিয়েছিল। কেনই বা গিয়েছিল, আর তারপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তদন্তে কীভাবে বাধা দিয়েছেন।
তুষার মেহতা এজলাসে এ দিন বলেছেন, ইডি কয়লা দুর্নীতির তদন্ত করছিল। এই তদন্তের মধ্যে দিয়ে জানা গিয়েছে, দুর্নীতির কুড়ি কোটি টাকা কলকাতা থেকে গোয়ায় গিয়েছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় লাভবান হিসাবে (beneficiary) প্রতীক জৈন এর নাম উঠে আসে। সেই মোতাবেক তদন্ত শুরু হয়।
সুনির্দিষ্ট নির্দেশনামা নিয়ে ইডি আধিকারিকরা তদন্তে আসে। স্থানীয় থানার একজন পুলিশ আধিকারিক এসে জানায় তদন্ত বন্ধ করতে হবে জানান। এরপর মুখ্যমন্ত্রী পুরো পুলিশ ফোর্স সঙ্গে নিয়ে জোর করে সেখানে ঢুকে পড়েন। তারপর ডিসি সাউথ এসে অনুপ্রবেশের অভিযোগ তোলেন। খানিকবাদেই মুখ্যমন্ত্রী এসে সব ডিজিটাল প্রমাণ নিয়ে চলে যান।
আদালতে তুষার মেহতা এও বলেছেন, ইডি আধিকারিকরা নিজেদের পরিচয়-পত্র দেখিয়েছিলেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত (incriminating) ইডির বাজেয়াপ্ত করা নথি নিয়ে চলে যান।
এখানে উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার তৃণমূলের ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালান ইডির আধিকারিকরা। পাশাপাশি ওই সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতেও চলে তল্লাশি। খবর পাওয়া মাত্রই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বাড়ি যান। এবং হাতে করে একটি সবুজ ফাইল নিয়ে চলে আসেন। এই নিয়েই মামলা ওঠে কোর্টে। তৃণমূল আগেই অভিযোগ করে হাইকোর্টে গিয়ে বলেছিল, ইডি তাঁদের ভোটের স্ট্র্যাটেজি চুরি করেছে। যদিও, সেই মামলা গতকালই খারিজ করেছে হাইকোর্ট। আজ তৃণমূলের বিরুদ্ধে ইডির দায়ের করা মামলার শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টে। সেখানেই গোটা বিষয়টি জানালেন সলিসিটর জেনারেল।
