Humayun Kabir: বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় থানায় গেলেন হুমায়ুন, হঠাৎ কী হল?
Humayun Kabir on Beldanga Incident: এদিন থানা থেকে বেরিয়ে ভরতপুরের বিধায়ক বলেন, 'গতকাল পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে আন্দোলন হয়েছিল, আজকে কেউ একটা রটিয়ে দিয়েছেন যে আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সেই নিয়ে রাস্তায় অবরোধ করেছে ওরা। আমি অবরোধ তুলে নিতে বলেছিলাম। প্রায় ২০ মিনিট ধরে বিক্ষোভকারীদের বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম।

মুর্শিদাবাদ: শনিবার সকালে বেলডাঙার বিক্ষোভস্থলে গিয়ে নিজেই বিপাকে পড়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে জড়িয়ে পড়েন বচসা। বিক্ষোভ থামে না, উল্টে তা হুমায়ুনকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ফেলে। অগত্যা ‘পুলিশ সক্রিয় নেই’ বলে বিক্ষোভস্থল ত্যাগ করেন সদ্য তৈরি হওয়া জনতা উন্নয়ন পার্টির আহ্বায়ক হুমায়ুন কবীর।
এরপর সন্ধ্যা নামতেই হুমায়ুন পৌঁছে গেলেন বেলডাঙা থানায়। যারা অশান্তি ছড়িয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার আর্জি নিয়ে থানা দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূলের নিলম্বিত বিধায়ক। তবে পুলিশকে এও মনে করিয়ে এসেছেন বেলডাঙা অশান্তির তদন্তে নেমে অযথা যেন কাউকে হয়রানি না করা হয়।
এদিন থানা থেকে বেরিয়ে ভরতপুরের বিধায়ক বলেন, ‘গতকাল পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে আন্দোলন হয়েছিল, আজকে কেউ একটা রটিয়ে দিয়েছেন যে আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সেই নিয়ে রাস্তায় অবরোধ করেছে ওরা। আমি অবরোধ তুলে নিতে বলেছিলাম। প্রায় ২০ মিনিট ধরে বিক্ষোভকারীদের বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ওনারা কেউ শোনার পাত্র নন। যা হচ্ছে বা হয়েছে, তা মোটেই ঠিক নয়। পুলিশকে বলেছি, যারা অশান্তি ছড়িয়েছেন, আইন অমান্য করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। অবশ্য অযথা কাউকে যেন হয়রানি না করা হয়, সেই বিষয়টিও মাথায় রাখা প্রয়োজন।’
প্রসঙ্গত, শনিবার সকাল থেকে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙা। এলাকা বড়ুয়া মোড় অবরোধ করেন কয়েকশো মানুষ। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক। সেখানে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন আরও এক সাংবাদিক। এছাড়াও চলে ভাঙচুর। ভেঙে ফেলা হয় বেলডাঙা স্টেশনের কাছে থাকা রেলের সিগন্যাল। যার জেরে ব্যাহত হয় ট্রেন পরিষেবা। এই ঘটনায় ইতিমধ্য়েই মোট ৩০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে শনিবার সকালে নেতৃত্ব দেওয়া মিম নেতা মতিউর রহমানকেও।
