AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Ranaghat: ওড়নাটা ঝুলছে সিলিং থেকে, দরজা ভাঙতেই মা-মেয়ের অবস্থা দেখে হতবাক প্রতিবেশীরা

Ranaghat Case: প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে তড়িঘড়ি দুজনকে উদ্ধার করে রানাঘাট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ৩ বছরের শিশুটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মহিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালেই ভর্তি করা হয়। ঘটনার তদন্তে নেমেছে রানাঘাট থানার পুলিশ।

Ranaghat: ওড়নাটা ঝুলছে সিলিং থেকে, দরজা ভাঙতেই মা-মেয়ের অবস্থা দেখে হতবাক প্রতিবেশীরা
ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায় Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 02, 2026 | 3:14 PM
Share

রানাঘাট: তিন বছরের কন্যাসন্তানকে শ্বাসরোধ করে খুন করে নিজে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করলেন মা। শুক্রবার সকালে নদিয়ার কুপার্স ক্যাম্প এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এই শিউরে ওঠার ঘটনা ঘটে। তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বর্তমানে ওই মহিলা আশঙ্কাজনক অবস্থায় রানাঘাট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই মহিলার স্বামী কর্মসূত্রে দিল্লিতে থাকেন। বাড়িতে কন্যা সন্তানকে নিয়ে একাই থাকতেন তিনি। শুক্রবার সকালে দীর্ঘক্ষণ বাড়ির দরজা বন্ধ থাকতে দেখে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। ডাকাডাকি করেও সাড়া না মেলায় তাঁরা জানলা দিয়ে দেখার চেষ্টা করেন। জানলা খুলতেই দেখা যায়, ঘরের মেঝেতে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছেন মা ও শিশু। সিলিং ফ্যান থেকে একটি ওড়না ঝুলছে।

এরপর প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে তড়িঘড়ি দুজনকে উদ্ধার করে রানাঘাট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ৩ বছরের শিশুটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মহিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালেই ভর্তি করা হয়। ঘটনার তদন্তে নেমেছে রানাঘাট থানার পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান মহিলা প্রথমে তাঁর সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর ওড়না দিয়ে সিলিং ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। কিন্তু ওড়না ছিঁড়ে যাওয়ায় বা কোনওভাবে ফ্যান থেকে খুলে যাওয়ায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান।

একাকীত্ব, পারিবারিক বিবাদ নাকি অন্য কোনও মানসিক অবসাদ, ঠিক কী কারণে এই চরম পথ বেছে নিলেন ওই মহিলা, তা নিয়ে গভীর ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। মহিলার জ্ঞান ফিরলে এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হলে ঘটনার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে পুলিশ। শিশুটির দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমেছে কুপার্স ক্যাম্প এলাকায়।