AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Mahua Moitra: ভাইরাল অডিয়ো ক্লিপ, লোকসভা ভোটের মুখে মহুয়ার নামে পুলিশে অভিযোগ বিজেপির

Mahua Moitra: রাজর্ষি লাহিড়ী বলছেন, “কৃষ্ণনগরের বহিষ্কৃত সাংসদের নামে অভিযোগ জানাচ্ছি। ভাইরাল অডিয়ো ক্লিপে যে কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে তাতে আন্দাজ করা হচ্ছে ওটা মহুয়া মৈত্রের কণ্ঠস্বর।” বিষয়টি নিয়ে দ্রুত হাইকোর্টেও যাবে বিজেপি।

Mahua Moitra: ভাইরাল অডিয়ো ক্লিপ, লোকসভা ভোটের মুখে মহুয়ার নামে পুলিশে অভিযোগ বিজেপির
মহুয়া মৈত্র। (ফাইল ছবি)
| Edited By: | Updated on: Mar 12, 2024 | 8:08 PM
Share

নদিয়া: সংসদে ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন করার অভিযোগে কিছুদিন আগেই খারিজ হয়েছিল সাংসদ পদ। কিন্তু, সেই মহুয়াতেই আস্থা রেখেছে তৃণমূল। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে পুরনো নির্বাচনী ক্ষেত্র কৃষ্ণনগর থেকই লড়ছেন মহুয়া মৈত্র। রবিবারের ব্রিগেড থেকে ঘোষণা করা হয়েছে নাম। এবার সেই মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ বিজেপি নেতা রাজর্ষি লাহিড়ীর। কৃষ্ণনগর জেলা পুলিশের সুপারের কাছে এবং কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ করেছেন বিজেপি নেতা।

সম্প্রতি, একটি অডিয়ো ক্লিপ ভাইরাল হয়। যেখানে এক মহিলা বলছেন, ‘যেখানে মধু সেখানে মধু ও যেখানে নিমপাতা সেখানে নিমপাতা দিয়ে ভোট করান। হান্ড্রেড পার্সেন্ট প্রশাসনিক ব‍্যাকআপ পাবেন।’ যদিও এই অডিয়ো ক্লিপের সত্যতা যাচাই করেনি টিভি-৯ বাংলা। বিজেপির অভিযোগ, ওই অডিয়ো ক্লিপে সুশ্রী ভাষায় হিংসাত্মকভাবে আক্রমণ করছেন মহুয়া। এ কথায় ভয় পাবেন ভোটাররা। এই অভিযোগ সামনে রেখেই কৃষ্ণনগর জেলা পুলিশের সুপারের কাছে এবং কোতোয়ালি থানার দ্বারস্থ হয়েছেন বিজেপির মুখপাত্র রাজর্ষি লাহিড়ী।

রাজর্ষি লাহিড়ী বলছেন, “কৃষ্ণনগরের বহিষ্কৃত সাংসদের নামে অভিযোগ জানাচ্ছি। ভাইরাল অডিয়ো ক্লিপে যে কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে তাতে আন্দাজ করা হচ্ছে ওটা মহুয়া মৈত্রের কণ্ঠস্বর।” বিষয়টি নিয়ে দ্রুত হাইকোর্টেও যাবে বিজেপি। রাজর্ষি বলছেন, “আমরা হাইকোর্টেও মুভ করব। ভয়েস স্য়াম্পেলিং টেস্ট করার কথা বলব। যদি দেখা যায় এটা মহুয়ার গলা তাহলে আর্মি নামিয়ে কৃষ্ণনগরের ভোট করাতে হবে। হান্ড্রেড পার্সেন্ট প্রশাসনিক ব‍্যাকআপ শব্দটা যখন উনি ব্যবহার করছেন তারমানে সেখানে রাজ্য প্রশাসন, পুলিশের দ্বারা ভোট করানোর কথা বলা হচ্ছে। এটা করা যেতে পারে না। এটা গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকারক।”

Follow Us