BJP leader resigns: ‘এবার সাধারণ ভোটার হয়ে থাকব!’ দল থেকে পদত্যাগ করে জানালেন বিজেপি নেতা

Nadia: দলবদলের সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

BJP leader resigns: 'এবার সাধারণ ভোটার হয়ে থাকব!' দল থেকে পদত্যাগ করে জানালেন বিজেপি নেতা
পদত্যাগ করলেন অশোক চক্রবর্তী

নদিয়া: সামনেই পৌর নির্বাচন। আর ঠিক আগেই বিজেপিতে ভাঙন। ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন অশোক চক্রবর্তী। নদিয়ার দক্ষিণ সাংগঠনিক রানাঘাটের সভাপতি ছিলেন তিনি।

সম্প্রতি শান্তিপুর বিধানসভার উপনির্বাচনে বিজেপির ফল খারাপ হয়। সেই খারাপ ফল মেনে নিতে পারেননি অশোকবাবু। তারপরই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। নিজের পদত্যাগ নিয়ে অশোক চক্রবর্তী বলেন, “একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে এই পদত্যাগ আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য। সাংগঠনিক পদে থাকলে দলীয় সাফল্য এলে যেম প্রশংসা হয় ঠিক তেমনই ব্যর্থতা এলে তার নিন্দা হয়। আর এই বিষয়টি স্বাভাবিক। সেক্ষেত্রে যে কোনও ব্যর্থতার দায়িত্ব নিতে হয়। শান্তিপুর উপনির্বাচনে আমাদের দলের পরাজয় হয়েছে। তার দায় নিতে হবে। দলীয় সভাপতি হিসেবে এই দায় গ্রহণ করা আমার কর্তব্য। আমি সেই দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করলাম।”

পাশাপাশি দলবদলের সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “অন্য কোনও দলে যোগদান করা নিয়ে কোনও প্রশ্নই নেই। আমরা নীতি বদল করি না। এক নীতি নিয়েই থাকি।”

এর পাশাপাশি তিনি যোগ করেন, “দল থেকে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তার খেসারত কাউকে না কাউকে দিতে হয়। গত বিধানসভা নির্বাচনে সদ্য তৃণমূল থেকে আসা মানুষদের টিকিট দেওয়া এবং দলীয় সাংসদদের টিকিট দেওয়া দলের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। এর পরিনাম কাউকে না কাউকে চোকাতেই হবে। ৫৮ জন কার্যকর্তা প্রাণ দিয়ে চুকিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গে। আমাদের মতো যারা সাংগঠনিক কাজকর্ম করে ছোটোবেলা থেকে তাদের এইভাবে মূল্য দিয়ে চোকাতে হবে। না হলে এই উপনির্বাচন হতোই না। ”

অশোকবাবু সাফ জানিয়েছেন, এরপর থেকে তিনি বিজেপি-র ভোটার হয়ে থাকবেন। রাজনীতির সঙ্গে আর যুক্ত থাকবেন না।

উল্লেখ্য, উপনির্বাচনে শান্তিপুরে ৬৪ হাজার ৪৩৬ ভোটে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী। তাঁর কাছে পরাজিত হন নিরঞ্জন বিশ্বাস ও কংগ্রেস প্রার্থী রাজু সাহা। জয়লাভের পর ব্রজকিশোরের দাবি, তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে তৃণমূলই জয়লাভ করবে। নির্বাচন নিয়ে তাই তিনি বা তৃণমূলের অন্য কোনও কর্মী বিশেষ চিন্তা করেননি।

যদিও শান্তিপুরে গণনা পূর্ব থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেখা যায় তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে। কিন্তু ভোট গণনা চলাকালীন কি তিনি কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেন? প্রশ্ন করে বিজেপি।  শান্তিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের গণনাকেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়ে বিজেপির জগন্নাথ সরকার অভিযোগ তোলেন, গণনা শুরুর আগে ভিতরে গিয়েছেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তিনি গণনা প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করবেন। যদিও বিজেপি সাংসদের অভিযোগ নিয়ে মহুয়া মৈত্রের পাল্টা তোপ, “অশিক্ষিত বক্তব্যের উত্তর দেওয়ার কোনও ইচ্ছা আমার নেই।”

আরও পড়ুন: Dilip Ghosh On Election Commission: রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কোনও স্বাধীন সত্তাই নেই: দিলীপ

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla