AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Kali Puja 2026: গায়ের রং লাল, মাথার উপরে পঞ্চসর্প…শান্তিপুরের ‘জাগ্রত’ চামুণ্ডা কালীর ইতিহাস জানেন?

Shantipur Chamunda Kali Puja: শান্তিপুরের ফুলিয়া-তাহেরপুর রোডের অরবিন্দ পল্লি। সেখানেই রয়েছে চামুণ্ডা কালীর মন্দির। কালীপুজোয় তো বটেই, প্রত্যেক অমাবস্যাতেই মন্দিরে পুজো হয়। কৌশিকি অমাবস্যাতে প্রতিবছর তিন দিন ধরে বিশেষ পুজো ও উৎসবের আয়োজন করা হয় এখানে। শান্তিপুরের ফুলিয়া-তাহেরপুর রোডের অরবিন্দ পল্লিতে অবস্থিত এই মন্দিরে। মাকে দর্শন করতে দূরদূরান্ত থেকে ভিড় জমান ভক্তরা।

Kali Puja 2026: গায়ের রং লাল, মাথার উপরে পঞ্চসর্প...শান্তিপুরের 'জাগ্রত' চামুণ্ডা কালীর ইতিহাস জানেন?
শান্তিপুরের চামুণ্ডা কালীপুজোImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Nov 07, 2026 | 2:17 PM
Share

শান্তিপুর:  ‘শ্যামা মা কি আমার কালো রে’… সত্যি কি মা কালী কৃষ্ণবর্ণা? মা কালীর রূপ অনেক। কোথাও কালো, কোথাও গায়ের রং নীল, কোথাও আবার ললিতা অর্থাৎ লাল হয় মায়ের গায়ের রং। শান্তিপুরের (Shantipur Kali Puja) ফুলিয়াতেও মা কালী ‘ললিতা’। মায়ের গায়ের রং টকটকে লাল। মাথার উপরে রয়েছে পঞ্চসর্প। রূপেও রয়েছে বৈচিত্র। এমনই রূপে পূজিত হন শান্তিপুরের চামুণ্ডা কালী (Shantipur Chamunda Kali)। এই পুজোর পিছনেও রয়েছে একটা দীর্ঘ ইতিহাস।

চামুণ্ডা কালীর ইতিহাস

শান্তিপুরের ফুলিয়া-তাহেরপুর রোডের অরবিন্দ পল্লি। সেখানেই রয়েছে চামুণ্ডা কালীর মন্দির। কালীপুজোয় তো বটেই, প্রত্যেক অমাবস্যাতেই মন্দিরে পুজো হয়। কৌশিকি অমাবস্যাতে প্রতিবছর তিন দিন ধরে বিশেষ পুজো ও উৎসবের আয়োজন করা হয় এখানে। শান্তিপুরের ফুলিয়া-তাহেরপুর রোডের অরবিন্দ পল্লিতে অবস্থিত এই মন্দিরে। মাকে দর্শন করতে দূরদূরান্ত থেকে ভিড় জমান ভক্তরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ১৫ বছর আগে এই পুজোর সূচনা করেছিলেন সন্ন্যাসী বিজয় ক্ষ্যাপা। একসময় রাস্তার পাশে গাছতলায় টিনের ঘরে বসবাস করতেন তিনি। সেখানেই মায়ের এই বিশেষ রূপ সৃষ্টি করে পুজোর প্রচলন করেন বিজয় ক্ষ্যাপা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই পুজোই পরিচিতি পেয়েছে মা চামুণ্ডা কালীর আরাধনা হিসেবে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা পুজোর ইতিহাস নিয়ে বলেন, “রং লাল। যিনি সৃষ্টি করেন, তিনিও লাল পরেছিলেন। তারপর থেকে লাল রং রয়েছে। আর লাল রং হল একটা আকর্ষণ। মা অনেক জাগ্রত। অনেকে এসে মানত করেন। ফলও পান। ঠাকুর ছিল ছোট। তারপর মাঝে আকার বড় করা হয়।”

কালীপুজোয় অনুষ্ঠান

কৌশিকি অমাবস্যা উপলক্ষে মন্দিরে টানা তিন দিন ধরে চলে বিশেষ পুজো, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং নানা আয়োজন। এলাকার মানুষের বিশ্বাস, মা চামুণ্ডা কালী অত্যন্ত জাগ্রত। ভক্তিভরে মায়ের কাছে কোনও মনস্কামনা জানালে তা পূরণ করেন মা। সেই বিশ্বাস থেকেই প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ আসেন মায়ের দর্শনে। এই পুজোকে ঘিরে আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষের মধ্যে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। ভক্তদের জন্য থাকে খিচুড়ি-সহ নানা ধরনের প্রসাদের ব্যবস্থা। পাশাপাশি মন্দিরের সামনেই বসে মেলা। কালীপুজোতেও জাঁকজমকভাবে মন্দিরে মায়ের আরাধনা হয়।

Follow Us